=======================================
কবির মেসে ফিরল দুই চোখে কালো দাগ নিয়ে
রুমমেট শামীম বলল," কি হয়েছে"
কবির," বাসে বসে মেসে ফিরছিলাম, আমার সীটের পাশে এক মহিলা দাঁড়িয়ে ছিল।মহিলার শাড়িটা পেছনে এমন ভাবে টিআট হয়ে গায়ের সাথে লেগেছিল যে ঠিকমতো দাঁড়াতে পারছিলেন না। আমি চিন্তা করলাম- ওজায়গায় শাড়িটা আঙুল দিয়ে এক চিমটি টেনে একটু ঢিলে করে দিই, ওনার সুবিধে হবে। ঐ কাজ করতেই মহিলা পেছন ফিরে এক ঘুঁষি মারলো আমার বাম চোখের ওপর।’
শামীম,"
"আর ডান চোখে কিভাবে হলো"?
কবির,"ঘুষি খেয়ে ভাবলাম,মহিলা যখন মাইন্ড খাইছে,তো আগের মত করে দেই। তাই আঙুল দিয়ে খুঁচিয়ে আবার ওটা আগের মতো আঁটো করে দিলাম …।" তারপর
=======================================
নর-নারী বিছানায় ঘুমিয়ে।
হঠাৎ নারী স্বপ্নে চিৎকার করে ওঠল," তাড়াতাড়ি ওঠ!! আমার স্বামী ফিরেছে"
নর দ্রুত লাফ দিয়ে দোতলার জানালা দিয়ে লাফ পড়ে ব্যাথা পেয়ে চিন্তা করছে,"
এইটা কি করলাম,আমিই তো স্বামী"
=======================================
সেক্সের সময় নারীভেদে বচনে পার্থক্য-
রক্ষিতা- ওহ ! দারুন!!
পতিতা- তাড়াতাড়ি শেষ করো
গার্ল ফ্রেন্ড- আমার লজ্জা লাগছে
বউ- সিলিং এ রঙ করা দরকার
=======================================
বউ কোর্টে তালাকের জন্য গেলে তার উকিল বলল," দেশের সবচেয়ে বড় কাবাডি খেলোয়াড়রে তালাক দিবেন
"
বউ, " ওইটাইত সমস্যা
রাত্রের বেলায় বিছানায় সে সে শুধু ছুয়ে চলে যায়"
=======================================
বোকাসোকা রাতুলের মাথায় বুদ্ধি একটু কম,মা-বাপের কথারে সে মারাত্বক অস্বাভাবিক রকম গুরুত্ব দেয়।ছোটবেলায় একদিন মাকে বলল," মা,চুমা দিলে কি হয়?"
মা ত খুব কড়া। সে রাতুলরে বুঝ দেয়ার জন্য কইলো," চুমা দেয়ার পর ছেলেদের শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায় শেষে মুর্তি হয়ে যায়।"সেই থেকে রাতুল চুমা থেকে দূরে থাকে।
এর মধ্যে সে বড় হয়ে এক মেয়ের সাথে প্রেম করে।মেয়ে একদিন রাতুলরে চুমা দিতে চাইলে রাতুল ছোটবেলার মার কথা মনে কইরা ভয় পেয়ে বলল," চুমা দিলে ছেলেরা পাথর হয়ে মুর্তি হয়ে যায়" মেয়ে হেসে জোড় করে চুমা দিল। চুমার মাঝেই রাতুল হাউ মাউ করে কান্দা শুরু করলো। মেয়ে বলে "কি হইছে?"
রাতুল কয়,"ও আল্লাহ,ও মা !! আমি পাথর হইয়া যাইতেছি। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে।"
=======================================
স্বামী ঘুমানোর আগে, " এই কাজের মহিলাকে ডাক, ঘুমাব"
স্ত্রী, "
কেন "
স্বামী, " ডাক্তার বলেছে শান্তির সাথে ঘুমাবেন"
=======================================
এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। কিন্তু একমাত্র বাচ্চা কার কাছে থাকবে এটা নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হলো তার।বিচারক প্রথমে মহিলাকে বলল, " বাচ্চা আপনার কাছে রাখার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিন।"
স্ত্রী, "আমি ১০ মাস পেটে ধারণ করেছি এবং জন্ম দেবার সময় কষ্ট ভোগ করেছি, অতএব আমার সন্তান আমার প্রাপ্য"
বিচারক এবার স্বামীর কাছে শুনতে চাইলেন তার যুক্তি।
স্বামী,"হুজুর আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। একটি কয়েন, কফি মেশিনে ফেলার পরে কফি বের হয়ে য়াসলো,এই কফির মালিক কে আমি না কফি মেশিন?"
=======================================
এক সিনেমা হলে স্বামী স্ত্রী বসে সারাক্ষন বকর বকর করছে ।
পিছনের সারির এক ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে বললেন," কি শুরু করলেন,কিছুই তো শুনিনা।"
স্বামী "আমাদের দাম্পত্য জীবনের কথা আপনাকে কে শুনতে বলেছে।"
=======================================
কালু পেশাব করতে বসে মৌমাছির চাকে কইরা দিল।মৌমাছিরা আদর করে ঐখানে রেগে গিয়ে হুল ফুটাইল।
বুঝেন ঠেলা
কালুর বউ আগে থেকেই অসন্তুষ্ট কালুর সাইজের উপর।যা হোক সে কালুকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেল।ইতিমধ্যে কালুর ডান্ডা ফুলে বিশাল সাইজ
ধারন করছে।
ডাক্তার দ্রুত ওষুধ দিলেন।আর কালুর স্ত্রীকে বলল, "এই ওষুধটা খাওয়ান, অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যথা এবং ফোলা দুই-ই চলে যাবে।"
হঠাৎ হাউমাউ করে কালুর স্ত্রী ডাক্তারের পা ধরে বলল, "এমন ঔষুধ দেন যাতে আমার স্বামীর ব্যথা কমবে তয় ফোলা কমবে না"
=======================================
স্বামী-স্ত্রীতে কথা বন্ধ। দু’পক্ষের মধ্যে কাগজ চালাচালি চলছে ছোট মেয়ের মাধ্যমে। ভোরে প্লেনে ওঠতে হবে ,
তাই স্বামী লিখলেন- ‘ভোর সাড়ে চারটায় জাগিয়ে দিও।’
মেয়ে মার কাছে কাগজ পৌছে দিল।
পরদিন সকাল ৮টায় স্বামী বেচারার ঘুম যখন ভাঙল দেখলো ,মাথার কাছে স্ত্রীর স্লিপ পড়ে রয়েছে। লেখা- এখন সাড়ে চারটা বাজে।নবাবজাদা ওঠো।
=======================================
এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।
ফরাসী বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’

ইতালীয় বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’

বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, ‘তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক’বার আদরসোহাগ করেছো?
বাঙালি বললো, ‘একবার।’
ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, ‘তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?’
‘ওগো, থামো, আর না …।’
=======================================
গণক: আপনি কমসে-কম আশি বছর বাঁচবেন।
ব্যক্তি: যদি না বাঁচি?
গণক: তা হলে এসে আমার দুই গালে দুটো চড় মারবেন।
=======================================
মিনা বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়।
একটা ঘরে ঢুকে সে দেখলো, একটা পুরনো চেরাগের পাশে এক পাগড়ি পরা যুবক দাঁড়িয়ে।
"স্বাগতম, আমার মালিক।" বললো যুবক। "আমি এই জাদুর চেরাগের জ্বিন। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই।"
মিনা এক নিঃশ্বাসে বললো, "কোটি কোটি টাকা, দশটা বাড়ি, বিশটা গাড়ি।"
জ্বিন বললো, "জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক, আমি দীর্ঘদিন এই চেরাগে একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি ইচ্ছাপূরণের আগে আপনার সাথে কয়েকবার সোহাগ করতে চাই।"
মিনা সানন্দে রাজি হলো(হাজার হইলেও এত সম্পদের মালিক হবে)।
পরদিন ভোরে জ্বিন বললো, "আমার মালিক, আপনার বয়স কত?"
"সাতাশ।" জবাব দিলো মিনা।
জ্বীন,"এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন?"
=======================================
শিক্ষকঃ পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই
ছাত্রঃ জেব্রার একটা রঙ্গিন ছবি তুলে দেখান তো
=======================================
ডাক্তার : লম্বা করে শ্বাস নিন এবং তিন বার নয় বলুন।
রোগী : সাতাশ।
=======================================
: কাকলীর সঙ্গে তোমার বিয়ে কি ভেঙে গেছে ?
: হ্যাঁ
: কেন ?
: ও আর আমাকে বিয়ে করতে চায় নি। আমি যে ফকির
: কেন, তোমার বড়লোক মামার কথা তাকে বল নি ?
: বলেছি । সে এখন আমার মামী

=======================================
রোগী ডাক্তারের কাছে,(সমস্যা- তার ঐটা দাঁড়ায় না)
ডাক্তার : বিয়ে করছেন?
: না।
: প্রেমিকা আছে ?
: না।
: পরকীয়া করেন ?
: না
: টানবাজার যান ?
: না।
: ডানহাত ব্যাবহার করেন?
: না।
ডাক্তার এইবার ভিষন ক্ষেপে গিয়ে,
"ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেন্ডার টাঙ্গাইবেন ??
"
=======================================
ছেলেকে জটিল অপারেশনের মাধ্যমে সারিয়ে তুলে দেয়ায় ছেলের বাপ ডাক্তারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে,
: আপনার এ উপকার জীবনে ভুলব না ডাক্তার সাহেব। কত পরিশ্রম করে আমার প্রায় মরা ছেলেকে বাঁচালেন। আমি গরিব, কিছুই দিতে পারলাম না। গায়ে-গতরে খেটে যে-কোনো দিন আপনার এ ঋণ আমি অবশ্যই শোধ করব।
: তা, তুমি কী কাজ কর?
: লাশ ধোয়াই।
=======================================
বিথী "তোমার স্বামী প্রতিদিনই দেখি ঠিক ৯টার সময় বাসায় ফেরে। আমার স্বামী তো পারলে বাসায়ই ফেরে না। কিন্তু তোমার স্বামী আসে, রহস্য কি?"
কান্তা " আমি বাসায় সাধারণ একটা নিয়ম করে দিয়েছি। তাকে বলেছি যে সেক্স হবে ঠিক রাত ৯টায়, তুমি তখন বাসায় থাকো আর নাই বা থাকো।"
=======================================
মা তার ২য় সন্তান প্রসবের জন্য হাসপাতালে যাওয়ার সময় ৪ বছরের ১ম ছেলেকে বলল, “ ছোট্ট ভাই চাও না ছোট্ট বোন চাও”
ছেলে, “ আমি ঘোড়ার বাচ্চা চাই”
=======================================
জজ- “ তোমার লজ্জা করে না তিন দিন পর পর কোর্টে আসতে"
চোর- “ আপনি যে প্রতিদিন আসেন,আপনার লজ্জা নাই”
=======================================
অন্ধ রোগীর চোখের সফল অপারেশনের পর ডাক্তার রোগীকে বলল, “ কিছু দেখতে পারছেন”
রোগী নেতিবাচক উত্তর দিলে ডাক্তার ভয় পেয়ে গেলো(অপারেশন সাকসেস হয় নাই নাকি)
ডাক্তার কিছুক্ষন চিন্তাভাবনা করে ক্লিনিকের সবচেয়ে সুন্দরী সেক্সী নার্সকে রোগীর সামনে এনে বললেন, “ কিছু দেখতে পান”
রোগী পুনরায় না উত্তর দিলো।
এইবার ডাক্তার রোগীর গালে থাপ্পড় দিয়ে বলল, “ দেখতে না পারলে তোর ধন দাড়াইল কেমনে”
=======================================
ঝগরার সময়,
স্বামী- আমি গাধা,তাই তোমারে বিয়া করছি

স্ত্রী- সেটা আমি বিয়ের সময় টের পাই নাই
=======================================
মেয়েরা সবসময় সুন্দর,দীর্ঘ, শান্তির, নিশ্চিত জীবন কাটায় !!!

কারণ মেয়েদের বউ নেই
=======================================
প্রশ্ন- চুমু দেয়ার সময় মেয়েরা চোখ বন্ধ রাখে কেন ?
?
??
???
????
?????
উত্তর- মেয়েরা পুরুষের খুশী দেখতে চায় না।
=======================================
স্বামী- WIFE মানে Without Information, Fighting Everytime!
স্ত্রী- না, WIFE মানে With Idiot For Ever
=======================================
সর্দার তার বউকে নিয়ে স্টেষনে দাঁড়িয়ে আছে ট্রেনের জন্য
এই সময় খাইবার মেল ট্রেনটি আসলো
সর্দার দৌড়ে ট্রেনে ওঠতে ওঠতে বলল, “খাইবার ওমেন” আসলে তুমি ওঠে যেও
=======================================
সর্দারের বিয়ের ৩ মাসের মধ্যে বাচ্চা হইছে
সর্দার বউরে জিগায়, “ ৩ মাসে কেমনে কি”
বউ, “ তোমার বিয়ে কয় মাস হইছে"
সর্দার, “ ৩ মাস”
বউ, “ আমার বিয়ে কয় মাস”
সর্দার, “ ৩ মাস”
বউ, “ বাচ্চার বয়স কত”
সর্দার, “ ৩ মাস”
বউ, “ সব যোগ করে বল”
সর্দার খুশীতে ডগমগ হয়ে বলল, “ ৯ মাস”
=======================================
বউ, “ তুমি সবসময় আমার ছবি নিয়ে অফিসে যাও কেন”

স্বামী, “ প্রিয়তমা, যখন আমি সমস্যায় পরি,তা যতই কঠিন হোক,তোমার ছবি দেখলেই হালকা হয়ে যায়”
বউ খুশীতে গদগদ হয়ে, “ কেন গো”

স্বামী, “ কারন,তোমার চেয়ে বড় সমস্যা তো পৃথিবীতে আর নাই"
=======================================
ইন্টারভিউ বোর্ডে ,প্রশ্নকর্তা-জন্ম তারিখ কবে”
আবুল, “ ২৮ শে নভেম্বর”
প্রশ্নকর্তা, “ কোন বছর”
আবুল, “ প্রতি বছর”
=======================================
কবির মেসে ফিরল দুই চোখে কালো দাগ নিয়ে
রুমমেট শামীম বলল," কি হয়েছে"
কবির," বাসে বসে মেসে ফিরছিলাম, আমার সীটের পাশে এক মহিলা দাঁড়িয়ে ছিল।মহিলার শাড়িটা পেছনে এমন ভাবে টিআট হয়ে গায়ের সাথে লেগেছিল যে ঠিকমতো দাঁড়াতে পারছিলেন না। আমি চিন্তা করলাম- ওজায়গায় শাড়িটা আঙুল দিয়ে এক চিমটি টেনে একটু ঢিলে করে দিই, ওনার সুবিধে হবে। ঐ কাজ করতেই মহিলা পেছন ফিরে এক ঘুঁষি মারলো আমার বাম চোখের ওপর।’
শামীম,"
কবির,"ঘুষি খেয়ে ভাবলাম,মহিলা যখন মাইন্ড খাইছে,তো আগের মত করে দেই। তাই আঙুল দিয়ে খুঁচিয়ে আবার ওটা আগের মতো আঁটো করে দিলাম …।" তারপর
=======================================
নর-নারী বিছানায় ঘুমিয়ে।
হঠাৎ নারী স্বপ্নে চিৎকার করে ওঠল," তাড়াতাড়ি ওঠ!! আমার স্বামী ফিরেছে"
নর দ্রুত লাফ দিয়ে দোতলার জানালা দিয়ে লাফ পড়ে ব্যাথা পেয়ে চিন্তা করছে,"
এইটা কি করলাম,আমিই তো স্বামী"
=======================================
সেক্সের সময় নারীভেদে বচনে পার্থক্য-
রক্ষিতা- ওহ ! দারুন!!
পতিতা- তাড়াতাড়ি শেষ করো
গার্ল ফ্রেন্ড- আমার লজ্জা লাগছে
বউ- সিলিং এ রঙ করা দরকার
=======================================
বউ কোর্টে তালাকের জন্য গেলে তার উকিল বলল," দেশের সবচেয়ে বড় কাবাডি খেলোয়াড়রে তালাক দিবেন
বউ, " ওইটাইত সমস্যা
=======================================
বোকাসোকা রাতুলের মাথায় বুদ্ধি একটু কম,মা-বাপের কথারে সে মারাত্বক অস্বাভাবিক রকম গুরুত্ব দেয়।ছোটবেলায় একদিন মাকে বলল," মা,চুমা দিলে কি হয়?"
মা ত খুব কড়া। সে রাতুলরে বুঝ দেয়ার জন্য কইলো," চুমা দেয়ার পর ছেলেদের শরীর আস্তে আস্তে পাথর হইয়া যায় শেষে মুর্তি হয়ে যায়।"সেই থেকে রাতুল চুমা থেকে দূরে থাকে।
এর মধ্যে সে বড় হয়ে এক মেয়ের সাথে প্রেম করে।মেয়ে একদিন রাতুলরে চুমা দিতে চাইলে রাতুল ছোটবেলার মার কথা মনে কইরা ভয় পেয়ে বলল," চুমা দিলে ছেলেরা পাথর হয়ে মুর্তি হয়ে যায়" মেয়ে হেসে জোড় করে চুমা দিল। চুমার মাঝেই রাতুল হাউ মাউ করে কান্দা শুরু করলো। মেয়ে বলে "কি হইছে?"
রাতুল কয়,"ও আল্লাহ,ও মা !! আমি পাথর হইয়া যাইতেছি। তোমারে চুমা দিতে না দিতেই আমার শরীরের একটা অংশ শক্ত হওয়া শুরু করছে।"
=======================================
স্বামী ঘুমানোর আগে, " এই কাজের মহিলাকে ডাক, ঘুমাব"
স্ত্রী, "
স্বামী, " ডাক্তার বলেছে শান্তির সাথে ঘুমাবেন"
=======================================
এক দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। কিন্তু একমাত্র বাচ্চা কার কাছে থাকবে এটা নিয়ে কোর্টের দ্বারস্থ হলো তার।বিচারক প্রথমে মহিলাকে বলল, " বাচ্চা আপনার কাছে রাখার যৌক্তিক ব্যাখ্যা দিন।"
স্ত্রী, "আমি ১০ মাস পেটে ধারণ করেছি এবং জন্ম দেবার সময় কষ্ট ভোগ করেছি, অতএব আমার সন্তান আমার প্রাপ্য"
বিচারক এবার স্বামীর কাছে শুনতে চাইলেন তার যুক্তি।
স্বামী,"হুজুর আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিন। একটি কয়েন, কফি মেশিনে ফেলার পরে কফি বের হয়ে য়াসলো,এই কফির মালিক কে আমি না কফি মেশিন?"
=======================================
এক সিনেমা হলে স্বামী স্ত্রী বসে সারাক্ষন বকর বকর করছে ।
পিছনের সারির এক ভদ্রলোক বিরক্ত হয়ে বললেন," কি শুরু করলেন,কিছুই তো শুনিনা।"
স্বামী "আমাদের দাম্পত্য জীবনের কথা আপনাকে কে শুনতে বলেছে।"
=======================================
কালু পেশাব করতে বসে মৌমাছির চাকে কইরা দিল।মৌমাছিরা আদর করে ঐখানে রেগে গিয়ে হুল ফুটাইল।
বুঝেন ঠেলা
কালুর বউ আগে থেকেই অসন্তুষ্ট কালুর সাইজের উপর।যা হোক সে কালুকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেল।ইতিমধ্যে কালুর ডান্ডা ফুলে বিশাল সাইজ
ধারন করছে।
ডাক্তার দ্রুত ওষুধ দিলেন।আর কালুর স্ত্রীকে বলল, "এই ওষুধটা খাওয়ান, অল্প সময়ের মধ্যেই ব্যথা এবং ফোলা দুই-ই চলে যাবে।"
হঠাৎ হাউমাউ করে কালুর স্ত্রী ডাক্তারের পা ধরে বলল, "এমন ঔষুধ দেন যাতে আমার স্বামীর ব্যথা কমবে তয় ফোলা কমবে না"
=======================================
স্বামী-স্ত্রীতে কথা বন্ধ। দু’পক্ষের মধ্যে কাগজ চালাচালি চলছে ছোট মেয়ের মাধ্যমে। ভোরে প্লেনে ওঠতে হবে ,
তাই স্বামী লিখলেন- ‘ভোর সাড়ে চারটায় জাগিয়ে দিও।’
মেয়ে মার কাছে কাগজ পৌছে দিল।
পরদিন সকাল ৮টায় স্বামী বেচারার ঘুম যখন ভাঙল দেখলো ,মাথার কাছে স্ত্রীর স্লিপ পড়ে রয়েছে। লেখা- এখন সাড়ে চারটা বাজে।নবাবজাদা ওঠো।
=======================================
এক ফরাসী, এক ইতালীয় আর এক বাঙালি ট্রেনে বসে নিজেদের বিবাহিত জীবন নিয়ে গল্প করছে।
ফরাসী বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে চারবার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’
ইতালীয় বলছে, ‘গত রাতে আমার বউকে ছয়বার আদরসোহাগ করেছি। সকালে সে আমাকে চমৎকার নাস্তা বানিয়ে খাইয়েছে, আর বলেছে, আমার মতো পুরুষ সে আগে কখনো দেখেনি।’
বাঙালি চুপ করে আছে দেখে ফরাসী তাকে প্রশ্ন করলো, ‘তা তুমি গত রাতে তোমার বউকে ক’বার আদরসোহাগ করেছো?
বাঙালি বললো, ‘একবার।’
ইতালীয় মুচকি হেসে বললো, ‘তোমার বউ সকালে তোমাকে কী বললো?’
‘ওগো, থামো, আর না …।’
=======================================
গণক: আপনি কমসে-কম আশি বছর বাঁচবেন।
ব্যক্তি: যদি না বাঁচি?
গণক: তা হলে এসে আমার দুই গালে দুটো চড় মারবেন।
=======================================
মিনা বেড়াতে গেছে এক নির্জন কেল্লায়।
একটা ঘরে ঢুকে সে দেখলো, একটা পুরনো চেরাগের পাশে এক পাগড়ি পরা যুবক দাঁড়িয়ে।
"স্বাগতম, আমার মালিক।" বললো যুবক। "আমি এই জাদুর চেরাগের জ্বিন। আপনার তিনটি ইচ্ছা আমি পূরণ করতে চাই।"
মিনা এক নিঃশ্বাসে বললো, "কোটি কোটি টাকা, দশটা বাড়ি, বিশটা গাড়ি।"
জ্বিন বললো, "জো হুকুম। আপনি বাড়ি ফিরেই আপনার টাকা, বাড়ির দলিল আর গাড়ির লাইসেন্স তৈরি পাবেন। কিন্তু আমার মালিক, আমি দীর্ঘদিন এই চেরাগে একা বন্দি ছিলাম। আপনি যদি কিছু মনে না করেন, আমি ইচ্ছাপূরণের আগে আপনার সাথে কয়েকবার সোহাগ করতে চাই।"
মিনা সানন্দে রাজি হলো(হাজার হইলেও এত সম্পদের মালিক হবে)।
পরদিন ভোরে জ্বিন বললো, "আমার মালিক, আপনার বয়স কত?"
"সাতাশ।" জবাব দিলো মিনা।
জ্বীন,"এই বয়সেও আপনি জ্বিনভূত বিশ্বাস করেন?"
=======================================
শিক্ষকঃ পৃথিবীতে অসম্ভব বলে কিছু নেই
ছাত্রঃ জেব্রার একটা রঙ্গিন ছবি তুলে দেখান তো
=======================================
ডাক্তার : লম্বা করে শ্বাস নিন এবং তিন বার নয় বলুন।
রোগী : সাতাশ।
=======================================
: কাকলীর সঙ্গে তোমার বিয়ে কি ভেঙে গেছে ?
: হ্যাঁ
: কেন ?
: ও আর আমাকে বিয়ে করতে চায় নি। আমি যে ফকির
: কেন, তোমার বড়লোক মামার কথা তাকে বল নি ?
: বলেছি । সে এখন আমার মামী
=======================================
রোগী ডাক্তারের কাছে,(সমস্যা- তার ঐটা দাঁড়ায় না)
ডাক্তার : বিয়ে করছেন?
: না।
: প্রেমিকা আছে ?
: না।
: পরকীয়া করেন ?
: না
: টানবাজার যান ?
: না।
: ডানহাত ব্যাবহার করেন?
: না।
ডাক্তার এইবার ভিষন ক্ষেপে গিয়ে,
"ওই মিয়া, তাহলে দাড়া করায়ে কি করবেন? ক্যালেন্ডার টাঙ্গাইবেন ??
=======================================
ছেলেকে জটিল অপারেশনের মাধ্যমে সারিয়ে তুলে দেয়ায় ছেলের বাপ ডাক্তারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে,
: আপনার এ উপকার জীবনে ভুলব না ডাক্তার সাহেব। কত পরিশ্রম করে আমার প্রায় মরা ছেলেকে বাঁচালেন। আমি গরিব, কিছুই দিতে পারলাম না। গায়ে-গতরে খেটে যে-কোনো দিন আপনার এ ঋণ আমি অবশ্যই শোধ করব।
: তা, তুমি কী কাজ কর?
: লাশ ধোয়াই।
=======================================
বিথী "তোমার স্বামী প্রতিদিনই দেখি ঠিক ৯টার সময় বাসায় ফেরে। আমার স্বামী তো পারলে বাসায়ই ফেরে না। কিন্তু তোমার স্বামী আসে, রহস্য কি?"
কান্তা " আমি বাসায় সাধারণ একটা নিয়ম করে দিয়েছি। তাকে বলেছি যে সেক্স হবে ঠিক রাত ৯টায়, তুমি তখন বাসায় থাকো আর নাই বা থাকো।"
=======================================
মা তার ২য় সন্তান প্রসবের জন্য হাসপাতালে যাওয়ার সময় ৪ বছরের ১ম ছেলেকে বলল, “ ছোট্ট ভাই চাও না ছোট্ট বোন চাও”
ছেলে, “ আমি ঘোড়ার বাচ্চা চাই”
=======================================
জজ- “ তোমার লজ্জা করে না তিন দিন পর পর কোর্টে আসতে"
চোর- “ আপনি যে প্রতিদিন আসেন,আপনার লজ্জা নাই”
=======================================
অন্ধ রোগীর চোখের সফল অপারেশনের পর ডাক্তার রোগীকে বলল, “ কিছু দেখতে পারছেন”
রোগী নেতিবাচক উত্তর দিলে ডাক্তার ভয় পেয়ে গেলো(অপারেশন সাকসেস হয় নাই নাকি)
ডাক্তার কিছুক্ষন চিন্তাভাবনা করে ক্লিনিকের সবচেয়ে সুন্দরী সেক্সী নার্সকে রোগীর সামনে এনে বললেন, “ কিছু দেখতে পান”
রোগী পুনরায় না উত্তর দিলো।
এইবার ডাক্তার রোগীর গালে থাপ্পড় দিয়ে বলল, “ দেখতে না পারলে তোর ধন দাড়াইল কেমনে”
=======================================
ঝগরার সময়,
স্বামী- আমি গাধা,তাই তোমারে বিয়া করছি
স্ত্রী- সেটা আমি বিয়ের সময় টের পাই নাই
=======================================
মেয়েরা সবসময় সুন্দর,দীর্ঘ, শান্তির, নিশ্চিত জীবন কাটায় !!!
কারণ মেয়েদের বউ নেই
=======================================
প্রশ্ন- চুমু দেয়ার সময় মেয়েরা চোখ বন্ধ রাখে কেন ?
?
??
???
????
?????
উত্তর- মেয়েরা পুরুষের খুশী দেখতে চায় না।
=======================================
স্বামী- WIFE মানে Without Information, Fighting Everytime!
স্ত্রী- না, WIFE মানে With Idiot For Ever
=======================================
সর্দার তার বউকে নিয়ে স্টেষনে দাঁড়িয়ে আছে ট্রেনের জন্য
এই সময় খাইবার মেল ট্রেনটি আসলো
সর্দার দৌড়ে ট্রেনে ওঠতে ওঠতে বলল, “খাইবার ওমেন” আসলে তুমি ওঠে যেও
=======================================
সর্দারের বিয়ের ৩ মাসের মধ্যে বাচ্চা হইছে
সর্দার বউরে জিগায়, “ ৩ মাসে কেমনে কি”
বউ, “ তোমার বিয়ে কয় মাস হইছে"
সর্দার, “ ৩ মাস”
বউ, “ আমার বিয়ে কয় মাস”
সর্দার, “ ৩ মাস”
বউ, “ বাচ্চার বয়স কত”
সর্দার, “ ৩ মাস”
বউ, “ সব যোগ করে বল”
সর্দার খুশীতে ডগমগ হয়ে বলল, “ ৯ মাস”
=======================================
বউ, “ তুমি সবসময় আমার ছবি নিয়ে অফিসে যাও কেন”
স্বামী, “ প্রিয়তমা, যখন আমি সমস্যায় পরি,তা যতই কঠিন হোক,তোমার ছবি দেখলেই হালকা হয়ে যায়”
বউ খুশীতে গদগদ হয়ে, “ কেন গো”
স্বামী, “ কারন,তোমার চেয়ে বড় সমস্যা তো পৃথিবীতে আর নাই"
=======================================
ইন্টারভিউ বোর্ডে ,প্রশ্নকর্তা-জন্ম তারিখ কবে”
আবুল, “ ২৮ শে নভেম্বর”
প্রশ্নকর্তা, “ কোন বছর”
আবুল, “ প্রতি বছর”
=======================================
No comments:
Post a Comment