=====================================================================
প্রচণ্ড অলস এক লোক বড়শিতে মাছ তুলে বসে আছে।
পাশ দিয়ে একজনকে যেতে দেখে কোমল স্বরে বললেন, ভাই মাছটা একটু খুলে দেবেন?
একটু বিরক্ত হয়েও মাছটা খুলে দিলেন লোকটি। তারপর বললেন, এত অলস আপনি! এক কাজ করেন- একটা বিয়ে করেন। ছেলেপেলে হলে আপনাকে কাজে সাহায্য করতে পারবে।
উত্তর এলোঃ ভাই, আপনার জানাশোনা কোনো গর্ভবতী মেয়ে আছে?
=====================================================================
একটা বারে এক বুড়ো কাউবয় বসে আছে, পুরো কাউবয় সাজে। এক তরুণী এসে তার পাশে বসলো।
‘তুমি কী সত্যিই একজন কাউবয়?’ জিজ্ঞেস করলো সে।
কাউবয় বললো, ‘আসলে, আমি আমার সারাজীবন কাটিয়েছি খামারে। গরু পেলে বড় করেছি, বুনো ঘোড়া পোষ মানিয়েছি, ভাঙা বেড়া সারিয়েছি … মনে হয় আমি একজন কাউবয়।’ একটু থেমে জিজ্ঞেস করলো সে, ‘তা, তুমি কী করো?’
তরুণী উত্তর দিলো, ‘আমি একজন লেসবিয়ান। সারাদিন আমি মেয়েদের চিন্তা করি। ঘুম থেকে উঠেই আমি মেয়েদের নিয়ে ভাবি। আমি যখন খাই, টিভি দেখি, ব্যায়াম করি, তখনও আমি মেয়েদের কথা ভাবি।’ এ কথা বলে মেয়েটা ড্রিঙ্ক শেষ করে উঠে চলে গেলো।
একটু পর আরেকটা মেয়ে এসে বসলো কাউবয়ের পাশে।
‘হাই, তুমি কি সত্যিই একজন কাউবয়?’ জিজ্ঞেস করলো মেয়েটা।
কাউবয় বিষণ্ন মুখে বললো, ‘আমি তো সারাটা জীবন তা-ই জানতাম, কিন্তু একটু আগে টের পেয়েছি, আমি আসলে একজন লেসবিয়ান।’
===================================================================
একছেলে নিয়মিত খারাপ এলাকায় যাতায়াত করে। একদিন খারাপ এলাকা থেকে ঘরে ঢুকছে, এমন সময় তার বাবা তাকে ডাকলেন, বল্টু! এদিকে আয়! কোথায় গিয়েছিলি? বল্টু চুপ থাকে। বাবা বলেন দেখি তোর প্যান্ট খোল। বল্টু প্যান্ট খুলে সামনে দাড়ায়। বাবা বল্টুর ডান্ডা শুকে বলে, তুই জরিনাকে করে এসেছিস? বদমাশ!! আর যেন তোকে ওর কাছে যেতে না দেখি। যা ভাগ। বল্টু রুমে আসে। চোরায় না শোনে ধর্মের কাহিনী। আবারো পরের দিন আকাম সেরে ঘরে ঢুকার পথে বাবার ডাক। যথা নিয়মে প্যান্ট খুলে দাড়ান আর বাবার ইনভেস্টিগেশন। আজকেও বাবার হাতে ধরা! বাবা যথা রীতি গন্ধ শুকে বল্লেন আজকে তুই সখিনারে লাগায়া আইছস!! বদমাশ!! আর যেন তোকে ওর কাছে যেতে না দেখি।এভাবে প্রতিদিনই বাবার কাছে বল্টু ধরা খায় কিন্তু কিছুতেই বোঝে না ওর বাবা কিভাবে জেনে ফেলে যে ও কার সাথে সেক্সটা করল। মনের দুঃখে বল্টু আজকে রাস্তায় একটা কুকুর এর সাথে কাম সেরে ঘরে ফিরল। যথানিয়মে বাবার ডাক। প্যান্ট খুলে সামনে দাড়ান। বাবা আজকে ২/৩ বার গন্ধ শুকে একটু চমকে উঠে চিৎকার করে বল্রো...ড্রইভার! জলদি গাড়ি বের কর। বাজারে নতুন মাল এসেছে ......!!!!
==================================================================
এক নিভৃত কক্ষে প্রেমিক প্রেমিকা। প্রেমিকা তনুশ্রী স্টাইলে জামাকাপড় সব খুলে, বিহ্বল কন্ঠে,
: আমার যা কিছু আছে সব তোমার।
প্রেমিক দারুন অবাক হয়ে,
: তোমার কি মাথা খারাপ? এই সালোয়ার-তামিজ দিয়ে আমি কি করব? আমি পুরুষমানুষ না?
=================================================================
স্বামী শারীরিক অসুস্থ হওয়ায় স্ত্রী অনেক বলে কয়েও ডাক্তার এর কাছে তার স্বামী কে পাঠাতে পারছেনা, অবশেষে স্ত্রী নিজেই তার স্বামীকে ডাক্তার এর কাছে নিয়ে গেলেন-
ডাক্তার সাহেব তাহার স্বামীকে বেড এ শুইয়ে ভাল করে দেখল
তারপর ডাক্তার প্রেক্সকিপশন লিখতে লিখতে স্ত্রী কে বলছে-
ডাক্তারঃ আপনার স্বামী শারীরিক ভাবে দূর্বল ঔষধ লিখে দিচ্ছি এগুলো নিয়মিত খাওয়াবেন, আর প্রতিদিন দুধ খেতে দিবেন
স্ত্রী- আমিতো খেতে দেই, কিন্তু সেতো খায়না.. শুধু টিপে
=================================================================
Laugh for live
Wednesday, December 29, 2010
Wednesday, December 22, 2010
abar Jokes(18+)
এক লোককে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ডাক্তার বললো, আপনাকে যৌন ক্রিয়া কমাতে হবে, তা আপনি কোন কোন দিন এসব করে থাকেন?
লোকঃ প্রতি সোম, বুধ ও শুক্রবার নিয়মিত করি।
ডাক্তারঃ কমাতে হবে, এক কাজ করুন, মাঝখান থেকে বুধবারটা বাদ দিন।
লোকঃ অসম্ভব...সেদিন আমি বাসায় আমার স্ত্রীর সাথে থাকি।
====================================================
একটি খুব দামি হোটেলে খাওয়া দাওয়া চলছে। এক মহিলা বুকে গুজে রাখা ন্যাপকিনটা বের করতে গিয়ে টান লেগে তার বুকের বেশ খানিকটা অংশ বের হয়ে আসলো। পাশে দাড়ানো ওয়েটার ব্যস্ত হয়ে আংগুল দিয়ে চাপ দিয়ে তা আবার গাউনের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে ম্যানেজার ওই ওয়েটারকে ডেকে ধমক দিয়ে বললো, “এটা নামিদামি হোটেল এখানে ওসব অসভ্যতা চলবে না। তুমি কোন সাহসে হাত দিলে? ভবিষ্যতে যদি এমন হয় তাহলে চামচ ব্যবহার করবে।”
==========================================================
লোকঃ প্রতি সোম, বুধ ও শুক্রবার নিয়মিত করি।
ডাক্তারঃ কমাতে হবে, এক কাজ করুন, মাঝখান থেকে বুধবারটা বাদ দিন।
লোকঃ অসম্ভব...সেদিন আমি বাসায় আমার স্ত্রীর সাথে থাকি।
====================================================
একটি খুব দামি হোটেলে খাওয়া দাওয়া চলছে। এক মহিলা বুকে গুজে রাখা ন্যাপকিনটা বের করতে গিয়ে টান লেগে তার বুকের বেশ খানিকটা অংশ বের হয়ে আসলো। পাশে দাড়ানো ওয়েটার ব্যস্ত হয়ে আংগুল দিয়ে চাপ দিয়ে তা আবার গাউনের ভেতর ঢুকিয়ে দিলো। তা দেখে ম্যানেজার ওই ওয়েটারকে ডেকে ধমক দিয়ে বললো, “এটা নামিদামি হোটেল এখানে ওসব অসভ্যতা চলবে না। তুমি কোন সাহসে হাত দিলে? ভবিষ্যতে যদি এমন হয় তাহলে চামচ ব্যবহার করবে।”
==========================================================
Tuesday, September 7, 2010
কল গার্লের সেবা(18+)
পঞ্চাশোর্ধ এক ব্যবসায়ী সুন্দরী এক কল গার্লের সেবা গ্রহণ করলেন এবং তাকে নগদ টাকা না দিয়ে তার অফিসে একটি বিল পাঠাতে বললেন। বিলতো আর গৃহিত সেবার নামে করা যাবে না তাই ব্যবসায়ী গার্লকে পরামর্শ দিলেন তুমি এমন একটা বিল আমার অফিসে পাঠাবে যেন আমি তোমার কাছ থেকে একটি এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া নিয়েছিলাম।
যথারীতি গার্ল পরের সপ্তাহে ব্যবসায়ীর অফিসে একটি বিল পাঠালেন। এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ৫০০০ টাকা ।
ব্যবসায়ী সভাব সুলভ কারনে সেই বিলও কাটলেন ২৫০০ হাজার টাকা কেটে বাকী আড়াই হাজার টাকা পাঠালেন গার্ল এর কাছে। বিল কাটার কারন হিসেবে তিনি লিখলেন :
১) আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) একদম নতুন আগে কেউ ব্যবহার করেনি, কিন্তু ভাড়া নেয়ার পর দেখলাম এটি আগেও ভাড়া হয়েছে।
২) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) অনেক ছোট এবং সুন্দর, কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম অনেকে এই এ্যাপার্টমেন্ট ব্যবহার করায় এর আকার অনেক বড়। এত বড় এ্যাপার্টমেন্ট আমার পছন্দ নয়।
৩) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) অনেক গরম হবে , কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম এটি একেবারেই ঠান্ডা ।
কলগার্ল ব্যবসায়ীর এই কারন সহ অর্ধেক পেমেন্ট পেয়ে রেগে গেলেন এবং আড়াই হাজার টাকা ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে পুরো ৫০০০ টাকা দেবার অনুরোধ করলেন এবং ব্যবসায়ীর কারন গুলোর বিপরীতে লিখলেন:
১) তুমি কি করে ভাবলে এত সুন্দর এ্যাপার্টমেন্টটি (??) ভাড়া না হয়ে এতদিন পরে থাকবে?
২) এ্যাপার্টমেন্টটি (??) আসলে সুন্দর এবং ছোটই ছিল, কিন্তু তোমার যদি এই এ্যাপার্টমেন্টটি (??) ভর্তি করার মত ফার্নিচার (??) না থাকে তাহলে আমার কি করার আছে?
৩) এ্যাপার্টমেন্টটিতে (??) আসলে অনেক গরমই ছিল কিন্তু তুমিতো জানই না এটা কি ভাবে অন করতে হয়।
তাই আমার পুরো পাওনা ৫০০০ টাকাই দিতে হবে।
যথারীতি গার্ল পরের সপ্তাহে ব্যবসায়ীর অফিসে একটি বিল পাঠালেন। এ্যাপার্টমেন্ট ভাড়া বাবদ ৫০০০ টাকা ।
ব্যবসায়ী সভাব সুলভ কারনে সেই বিলও কাটলেন ২৫০০ হাজার টাকা কেটে বাকী আড়াই হাজার টাকা পাঠালেন গার্ল এর কাছে। বিল কাটার কারন হিসেবে তিনি লিখলেন :
১) আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) একদম নতুন আগে কেউ ব্যবহার করেনি, কিন্তু ভাড়া নেয়ার পর দেখলাম এটি আগেও ভাড়া হয়েছে।
২) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) অনেক ছোট এবং সুন্দর, কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম অনেকে এই এ্যাপার্টমেন্ট ব্যবহার করায় এর আকার অনেক বড়। এত বড় এ্যাপার্টমেন্ট আমার পছন্দ নয়।
৩) ভাড়া নেবার সময় আমি ভেবেছিলাম এ্যাপার্টমেন্টটি (??) অনেক গরম হবে , কিন্তু ভাড়া নেবার পর দেখলাম এটি একেবারেই ঠান্ডা ।
কলগার্ল ব্যবসায়ীর এই কারন সহ অর্ধেক পেমেন্ট পেয়ে রেগে গেলেন এবং আড়াই হাজার টাকা ফেরত পাঠিয়ে দিয়ে পুরো ৫০০০ টাকা দেবার অনুরোধ করলেন এবং ব্যবসায়ীর কারন গুলোর বিপরীতে লিখলেন:
১) তুমি কি করে ভাবলে এত সুন্দর এ্যাপার্টমেন্টটি (??) ভাড়া না হয়ে এতদিন পরে থাকবে?
২) এ্যাপার্টমেন্টটি (??) আসলে সুন্দর এবং ছোটই ছিল, কিন্তু তোমার যদি এই এ্যাপার্টমেন্টটি (??) ভর্তি করার মত ফার্নিচার (??) না থাকে তাহলে আমার কি করার আছে?
৩) এ্যাপার্টমেন্টটিতে (??) আসলে অনেক গরমই ছিল কিন্তু তুমিতো জানই না এটা কি ভাবে অন করতে হয়।
তাই আমার পুরো পাওনা ৫০০০ টাকাই দিতে হবে।
Sunday, September 5, 2010
Abar o kisu jokes...(Jotha riti 18+)
====================================================================
: বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
: অব্যশই মেয়ে ।
: কেন ?
: যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??
====================================================================
মুরগির ব্রেস্ট :
বলোতো মুরগির ব্রেস্ট নেই কেন ?
: মোরগের হাত নেই বলে |
====================================================================
একবার সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি দল জটিল সমস্যায় পড়লেন।সমস্যাটা লিঙ্গ নির্ধারন সংক্রান্ত।
তো তারা গেলেন হাসিনার কাছে।ম্যাডাম, কাঠাল কোন লিঙ্গ ? ম্যাডাম বললেন, এটা নির্ধারন করা কোনো সমস্যা না।আমি আজকেই বাংলা একাডেমীর ডিজিকে বলে দিচ্ছি তিনি জানিয়ে দিবেন।
কিন্তু দুইদিন গেল, ডিজি জানালেন না।তখন তারা গেল এরশাদের কাছে।এরশাদের ঝটপট জবাব-আরে কাঠাল হল পুং লিঙ্গ।কারণ কাঠালের বিচি আছে।
এরপর পত্রিকার খবর বের হল-পুলিশ একদল ছাত্রকে ডান্ডা দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।
আচ্ছা, পুলিশ কোন লিঙ্গ ? জানতে চাওয়া হল প্রধানমন্ত্রী হাসিনার কাছে।হাসিনা বললেন, এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিতে হবে।সেই খোঁজ আর আসে না দেখে এরশাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়।তিনি বললেন যেহেতু পুলিশের ডান্ডা আছে তাই পুলিশ পুংলিঙ্গ।
এরপর প্রশ্ন উঠে আইন কোন লিঙ্গ।এবারও যথারীতি হাসিনা ফেলটুস।বলতে পারলেন না।অগত্যা আবার কাবিল এরশাদের কাছে জিজ্ঞাসা।তিনি ভেবেচিন্তে বললেন, আইনের ফাঁক আছে, তাই আইন স্ত্রী লিঙ্গ।
====================================================================
কোনো এক পশ্চিমী দেশে এক ভদ্রমহিলার তিন-তিনটি অবিবাহিতা মেয়ে।
অনেকদিন চেষ্টা করেও কিছু না হওয়ার পরে হঠাৎ করেই তিন মেয়ের খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের ঠিক হয়ে গেলো।ভদ্রমহিলা মেয়েদের দাম্পত্যজীবন (?) নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলেন।তো তিনি মেয়েদের বললেন যে প্রত্যেকে যেনো হানিমুন থেকে অল্প কথায় কিছু লিখে তাকে পোস্টকার্ড পাঠায়।যাতে তিনি বুঝতে পারেন যে মেয়েদের হানিমুন কেমন চলছে।
বিয়ের দু'দিন পরে প্রথম মেয়ে হাওয়াই থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে শুধু লেখা - "Nescafe"!!!!
প্রথমে বেশ অবাক হলেও,কিছুক্ষন বাদে তিনি কিচেনে গিয়ে Nescafe - এর জার বের করলেন।দেখলেন তার গায়ে লেখা - "Good till the last drop"....
তিনি একটু লজ্জা পেলেও,মেয়ের খবরে আনন্দ পেলেন।
বিয়ের এক হপ্তা পরে পরের মেয়েটি ভারমন্ট থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল।তাতে লেখা - "Rothmans"!!!!
এবার তিনি আর ঘাবড়ালেন না। একটা Rothmans এর প্যাকেট নিয়ে দেখলেন তাতে লেখা - "Extra Long. King Size"....।
আবার তিনি একটু লজ্জা পেলেও, আনন্দিত হলেন।
সবচেয়ে ছোটো মেয়েটি গেছিল কেপ-টাউন।তার চিঠি কিছুতেই আসে না।এক মাসের শেষে তার চিঠি এল।তাতে খুব কাঁপা-কাঁপা হাতে লেখা - "South African Airways"!!!!
ভদ্রমহিলা জল্দী লেটেস্ট একটা ম্যাগাজিন বের করে South African Airways -এর এ্যাডটা দেখলেন।দেখামাত্র তিনি সেন্সলেস হয়ে পড়লেন।
এ্যাডটার নিচে লেখা - "Ten times a day, seven days a week, both ways"!!!!!!!!
====================================================================
: বলো তো সেক্স করার সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
: অব্যশই মেয়ে ।
: কেন ?
: যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও আরামটা কোথায় লাগে, কানে না লাঠিতে ??
====================================================================
মুরগির ব্রেস্ট :
বলোতো মুরগির ব্রেস্ট নেই কেন ?
: মোরগের হাত নেই বলে |
====================================================================
একবার সরকারের নীতি নির্ধারকদের একটি দল জটিল সমস্যায় পড়লেন।সমস্যাটা লিঙ্গ নির্ধারন সংক্রান্ত।
তো তারা গেলেন হাসিনার কাছে।ম্যাডাম, কাঠাল কোন লিঙ্গ ? ম্যাডাম বললেন, এটা নির্ধারন করা কোনো সমস্যা না।আমি আজকেই বাংলা একাডেমীর ডিজিকে বলে দিচ্ছি তিনি জানিয়ে দিবেন।
কিন্তু দুইদিন গেল, ডিজি জানালেন না।তখন তারা গেল এরশাদের কাছে।এরশাদের ঝটপট জবাব-আরে কাঠাল হল পুং লিঙ্গ।কারণ কাঠালের বিচি আছে।
এরপর পত্রিকার খবর বের হল-পুলিশ একদল ছাত্রকে ডান্ডা দিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছে।
আচ্ছা, পুলিশ কোন লিঙ্গ ? জানতে চাওয়া হল প্রধানমন্ত্রী হাসিনার কাছে।হাসিনা বললেন, এটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে খোঁজ নিতে হবে।সেই খোঁজ আর আসে না দেখে এরশাদের কাছে জানতে চাওয়া হয়।তিনি বললেন যেহেতু পুলিশের ডান্ডা আছে তাই পুলিশ পুংলিঙ্গ।
এরপর প্রশ্ন উঠে আইন কোন লিঙ্গ।এবারও যথারীতি হাসিনা ফেলটুস।বলতে পারলেন না।অগত্যা আবার কাবিল এরশাদের কাছে জিজ্ঞাসা।তিনি ভেবেচিন্তে বললেন, আইনের ফাঁক আছে, তাই আইন স্ত্রী লিঙ্গ।
====================================================================
কোনো এক পশ্চিমী দেশে এক ভদ্রমহিলার তিন-তিনটি অবিবাহিতা মেয়ে।
অনেকদিন চেষ্টা করেও কিছু না হওয়ার পরে হঠাৎ করেই তিন মেয়ের খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিয়ের ঠিক হয়ে গেলো।ভদ্রমহিলা মেয়েদের দাম্পত্যজীবন (?) নিয়ে চিন্তায় পড়ে গেলেন।তো তিনি মেয়েদের বললেন যে প্রত্যেকে যেনো হানিমুন থেকে অল্প কথায় কিছু লিখে তাকে পোস্টকার্ড পাঠায়।যাতে তিনি বুঝতে পারেন যে মেয়েদের হানিমুন কেমন চলছে।
বিয়ের দু'দিন পরে প্রথম মেয়ে হাওয়াই থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল। তাতে শুধু লেখা - "Nescafe"!!!!
প্রথমে বেশ অবাক হলেও,কিছুক্ষন বাদে তিনি কিচেনে গিয়ে Nescafe - এর জার বের করলেন।দেখলেন তার গায়ে লেখা - "Good till the last drop"....
তিনি একটু লজ্জা পেলেও,মেয়ের খবরে আনন্দ পেলেন।
বিয়ের এক হপ্তা পরে পরের মেয়েটি ভারমন্ট থেকে পোস্টকার্ড পাঠাল।তাতে লেখা - "Rothmans"!!!!
এবার তিনি আর ঘাবড়ালেন না। একটা Rothmans এর প্যাকেট নিয়ে দেখলেন তাতে লেখা - "Extra Long. King Size"....।
আবার তিনি একটু লজ্জা পেলেও, আনন্দিত হলেন।
সবচেয়ে ছোটো মেয়েটি গেছিল কেপ-টাউন।তার চিঠি কিছুতেই আসে না।এক মাসের শেষে তার চিঠি এল।তাতে খুব কাঁপা-কাঁপা হাতে লেখা - "South African Airways"!!!!
ভদ্রমহিলা জল্দী লেটেস্ট একটা ম্যাগাজিন বের করে South African Airways -এর এ্যাডটা দেখলেন।দেখামাত্র তিনি সেন্সলেস হয়ে পড়লেন।
এ্যাডটার নিচে লেখা - "Ten times a day, seven days a week, both ways"!!!!!!!!
====================================================================
Thursday, September 2, 2010
Cholun kisukhon hashi (18+)
১.
এক লোক প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার সময় রসিকতা করে স্ত্রীকে বলে, বিদায় ওগো চার সন্তানের মা।
একই কথা শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে একদিন স্ত্রী বলল, টাটা, ওগো দু’সন্তানের বাবা।
২.
এক লোকের বাড়ি সার্চ করে জাল নোট পাওয়ার যন্ত্রপাতি পাওয়া গেল। তাকে গ্রেফতার করা হলো।
লোকটি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলল, আমাকে গ্রেফতার করা হলো কেন? আমার কাছে তো জাল নোট পান নি।
পুলিশঃ তাতে কি! জাল নোট ছাপার যন্ত্রপাতি তো পেয়েছি।
সেই লোকঃ তাহলে আমাকে রেপ করার জন্য গ্রেফতার করুন।
পুলিশঃ কেন, আপনি কাউকে রেপ করেছেন?
সেই লোকঃ না, রেপ করার যন্ত্র তো আছে!
৩.
অপূর্ব সুন্দরী এক রোগিনীকে অনেকক্ষণ ধরে পরীক্ষা করার পর ডাক্তার তাকে পরামর্শ দিলেন- আপনার শরীরের যে অবস্থা তাতে করে আজ আর আপনার অফিসে যাওয়া ঠিক হবে না। সোজা বাসায় গিয়ে দু’চামচ এ ওষুধটা খেয়ে শুয়ে থাকুন। দরজায় তিন টোকা না পাওয়া পর্যন্ত দরজা খুলবেন না।
৪.
ছোট্ট ছেলে অনি তার সদ্য বিয়ে হওয়া বোনের বাড়ি বেড়াতে গেছে। হৈ চৈ করে সে নব-দম্পতির জীবন অতিষ্ঠ করে তুলল। আপা সহ্য করে যাচ্ছিলেন কিন্তু এক পর্যায়ে দুলাভাই তার কান মলে দিলেন।
কানমলা খেয়ে সে একটুও কাঁদল না, হৈচৈও করল না। শুধু সন্ধারাতে চুপিচুপি আপার ঘরে ঢুকে কুইনিন বড়ি গুঁড়া করে সযত্নে আপার ফেস পাউডারের সাথে মিশিয়ে দিল।
৫.
পুলিশের চাকরির মৌখিক পরীক্ষা চলছে।
প্রশ্নকর্তাঃ তুমি যদি ঘরে ফিরে দেখ সম্পূর্ণ অচেনা একজন লোক তোমার বেডরুমে বসে আছে, তাহলে তুমি কী করবে?
মহিলা প্রার্থীঃ তাকে বের হয়ে যাবার জন্য আটচল্লিশ ঘন্টা সময় দেব।
৬.
জমজমাট এক পার্টি। ঝলমলে চুলের সন্দরী এক তরুণীর দিকে এগিয়ে গিয়ে এক তরুণ বলল, চুলের যত্নে তুমি কি কর?
তরুণী বলল, সপ্তাহে তিনদিন শ্যাম্পু করি, একদিন ডিম দিই, একদিন মেহেদী মাখি। নিয়মিত আঁচড়াই……… এই তো।
এরপর তরুণটি জিজ্ঞেস করল, আর মাথার চুলের যত্নে?
৭.
ফুটপাতে বসে কাঁদছিল ছোট্ট একটি ছেলে। পাশ দিয়ে এক বৃদ্ধ যাচ্ছিলেন। ছেলেটিকে দেখে তার খুব মায়া হল।
বৃদ্ধঃ কী বাবা, কাঁদছ কেন?
ছেলেঃ কাঁদছি কারণ বড়রা যা করতে পারে আমি তা করতে পারি না।
বাচ্চার কথা শুনে বৃদ্ধটিও ছেলেটির পাশে বসে কাঁদতে শুরু করল।
৮.
দুই ঘনিষ্ট বন্ধুর কথোপকথন।
প্রথম বন্ধুঃ আমার স্ত্রীর লিপস্টিকের স্বাদ অন্য মেয়েদের থেকে একদম অন্যরকম।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ ঠিক বলেছিস, কেমন যেন কমলা কমলা স্বাদের!
৯.
প্রেমিকাঃ বলো তো ইন্টারকোর্সের সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
প্রেমিকঃ অবশ্যই মেয়ে।
প্রেমিকাঃ কেন?!?!
প্রেমিকঃ যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও, আরামটা কার লাগে কাঠির না কানের??
১০.
বিচারকঃ আপনি ডিভোর্স চাইছেন কেন?
স্বামীঃ কারণ আমার বৌ গত দু’বছর যাবৎ আমার সাথে কথা বলে না।
বিচারকঃ সে কী! এই না বললেন গত মাসে আপনাদের একটা বাচ্চা হয়েছে?
স্বামীঃ সে জন্য তো আর কথা বলতে হয় না।
১১.
বাবাঃ মামণি এবার ঈদে কি নেবে?
ছোট্ট মেয়েঃ একটা ছোট ভাই।
বাবাঃ ঈদের তো মাত্র এক মাস বাকি! এত তাড়াতাড়ি তো ছোট ভাই আনা যাবে না।
ছোট্ট মেয়েঃ বেশি লোক লাগিয়ে দাও।
১২.
চুরাশি বছরের এক বৃদ্ধ বিয়ে করল আঠার বছরের এক তরুণীকে। বৃদ্ধ বৌকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন পরামর্শ চাইতে যে কীভাবে তাদের সন্তান হবে।
তখন ডাক্তার তাকে এক গল্প শোনালেন- এক শিকারি একদিন বনে গেলেন বাঘ শিকার করতে। বাঘও চলে এলো একটা। তিনি বন্দুক তুলে নিলেন গুলি করতে, কিন্তু তিনি খেয়াল করলেন যে বন্দুকের বদলে তিনি ছাতা নিয়ে এসেছেন। কী আর করা, বাধ্য হয়ে ছাতা দিয়েই গুলি করলেন। বাঘও মরল।
শুনে বৃদ্ধ অবাক হয়ে বললেন, এটা কি করে সম্ভব! ছাতা দিয়ে কি আর গুলি করা যায়? নিশ্চয়ই অন্য কেউ পাশ থেকে গুলি করেছে।
ডাক্তার উত্তর দিলেন, আপনি ঠিকই ধরেছেন।
১৩.
দুই লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে মারামারি করছে। আর একটা বাচ্চা দাঁড়িয়ে তা দেখছে। এক পর্যায়ে পুলিশ বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করল, তোমার বাবা কোনজন?
বাচ্চাটি উত্তর দিল, এটা ঠিক করার জন্যই তো ওরা মারামারি করছে।
১৪.
এক সদ্য বিবাহিত তরুণ এক ডাক্তারের সাথে কথা বলছে-
তরুণঃ প্রথমবার আমি এত ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম যে একটু থেমে রেস্ট নিলাম। দ্বিতীয় দফায় মনে হচ্ছিল আমার বুক ফেটে যাবে। আর তৃতীয় দফায় মনে হল আমার হার্ট এটাক হয়ে যাবে…।
ডাক্তারঃ আপনার স্ত্রী…।
তরুণঃ এখানে স্ত্রীর প্রসঙ্গ আসছে কেন?
আমি থাকি চার তলায়। চার তলায় উঠার কথা বলছি।
১৫.
লিপস্টিক কেনার জন্য স্বামীর কাছে টাকা চাইল স্ত্রী।
স্বামী বিরক্ত হয়ে বলল, তোমার লিপস্টিক কিনতে কিনতেই তো ফতুর হয়ে যাব!
স্ত্রী হেসে উত্তর দিল, হলে আমি কী করব! অর্ধেক তো তোমার পেটেই যায়।
এক লোক প্রতিদিন অফিসে যাওয়ার সময় রসিকতা করে স্ত্রীকে বলে, বিদায় ওগো চার সন্তানের মা।
একই কথা শুনতে শুনতে বিরক্ত হয়ে একদিন স্ত্রী বলল, টাটা, ওগো দু’সন্তানের বাবা।
২.
এক লোকের বাড়ি সার্চ করে জাল নোট পাওয়ার যন্ত্রপাতি পাওয়া গেল। তাকে গ্রেফতার করা হলো।
লোকটি পুলিশের উদ্দেশ্যে বলল, আমাকে গ্রেফতার করা হলো কেন? আমার কাছে তো জাল নোট পান নি।
পুলিশঃ তাতে কি! জাল নোট ছাপার যন্ত্রপাতি তো পেয়েছি।
সেই লোকঃ তাহলে আমাকে রেপ করার জন্য গ্রেফতার করুন।
পুলিশঃ কেন, আপনি কাউকে রেপ করেছেন?
সেই লোকঃ না, রেপ করার যন্ত্র তো আছে!
৩.
অপূর্ব সুন্দরী এক রোগিনীকে অনেকক্ষণ ধরে পরীক্ষা করার পর ডাক্তার তাকে পরামর্শ দিলেন- আপনার শরীরের যে অবস্থা তাতে করে আজ আর আপনার অফিসে যাওয়া ঠিক হবে না। সোজা বাসায় গিয়ে দু’চামচ এ ওষুধটা খেয়ে শুয়ে থাকুন। দরজায় তিন টোকা না পাওয়া পর্যন্ত দরজা খুলবেন না।
৪.
ছোট্ট ছেলে অনি তার সদ্য বিয়ে হওয়া বোনের বাড়ি বেড়াতে গেছে। হৈ চৈ করে সে নব-দম্পতির জীবন অতিষ্ঠ করে তুলল। আপা সহ্য করে যাচ্ছিলেন কিন্তু এক পর্যায়ে দুলাভাই তার কান মলে দিলেন।
কানমলা খেয়ে সে একটুও কাঁদল না, হৈচৈও করল না। শুধু সন্ধারাতে চুপিচুপি আপার ঘরে ঢুকে কুইনিন বড়ি গুঁড়া করে সযত্নে আপার ফেস পাউডারের সাথে মিশিয়ে দিল।
৫.
পুলিশের চাকরির মৌখিক পরীক্ষা চলছে।
প্রশ্নকর্তাঃ তুমি যদি ঘরে ফিরে দেখ সম্পূর্ণ অচেনা একজন লোক তোমার বেডরুমে বসে আছে, তাহলে তুমি কী করবে?
মহিলা প্রার্থীঃ তাকে বের হয়ে যাবার জন্য আটচল্লিশ ঘন্টা সময় দেব।
৬.
জমজমাট এক পার্টি। ঝলমলে চুলের সন্দরী এক তরুণীর দিকে এগিয়ে গিয়ে এক তরুণ বলল, চুলের যত্নে তুমি কি কর?
তরুণী বলল, সপ্তাহে তিনদিন শ্যাম্পু করি, একদিন ডিম দিই, একদিন মেহেদী মাখি। নিয়মিত আঁচড়াই……… এই তো।
এরপর তরুণটি জিজ্ঞেস করল, আর মাথার চুলের যত্নে?
৭.
ফুটপাতে বসে কাঁদছিল ছোট্ট একটি ছেলে। পাশ দিয়ে এক বৃদ্ধ যাচ্ছিলেন। ছেলেটিকে দেখে তার খুব মায়া হল।
বৃদ্ধঃ কী বাবা, কাঁদছ কেন?
ছেলেঃ কাঁদছি কারণ বড়রা যা করতে পারে আমি তা করতে পারি না।
বাচ্চার কথা শুনে বৃদ্ধটিও ছেলেটির পাশে বসে কাঁদতে শুরু করল।
৮.
দুই ঘনিষ্ট বন্ধুর কথোপকথন।
প্রথম বন্ধুঃ আমার স্ত্রীর লিপস্টিকের স্বাদ অন্য মেয়েদের থেকে একদম অন্যরকম।
দ্বিতীয় বন্ধুঃ ঠিক বলেছিস, কেমন যেন কমলা কমলা স্বাদের!
৯.
প্রেমিকাঃ বলো তো ইন্টারকোর্সের সময় ছেলে না মেয়ে কে বেশি আনন্দ পায়?
প্রেমিকঃ অবশ্যই মেয়ে।
প্রেমিকাঃ কেন?!?!
প্রেমিকঃ যখন কাঠি দিয়ে কান খোঁচাও, আরামটা কার লাগে কাঠির না কানের??
১০.
বিচারকঃ আপনি ডিভোর্স চাইছেন কেন?
স্বামীঃ কারণ আমার বৌ গত দু’বছর যাবৎ আমার সাথে কথা বলে না।
বিচারকঃ সে কী! এই না বললেন গত মাসে আপনাদের একটা বাচ্চা হয়েছে?
স্বামীঃ সে জন্য তো আর কথা বলতে হয় না।
১১.
বাবাঃ মামণি এবার ঈদে কি নেবে?
ছোট্ট মেয়েঃ একটা ছোট ভাই।
বাবাঃ ঈদের তো মাত্র এক মাস বাকি! এত তাড়াতাড়ি তো ছোট ভাই আনা যাবে না।
ছোট্ট মেয়েঃ বেশি লোক লাগিয়ে দাও।
১২.
চুরাশি বছরের এক বৃদ্ধ বিয়ে করল আঠার বছরের এক তরুণীকে। বৃদ্ধ বৌকে নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলেন পরামর্শ চাইতে যে কীভাবে তাদের সন্তান হবে।
তখন ডাক্তার তাকে এক গল্প শোনালেন- এক শিকারি একদিন বনে গেলেন বাঘ শিকার করতে। বাঘও চলে এলো একটা। তিনি বন্দুক তুলে নিলেন গুলি করতে, কিন্তু তিনি খেয়াল করলেন যে বন্দুকের বদলে তিনি ছাতা নিয়ে এসেছেন। কী আর করা, বাধ্য হয়ে ছাতা দিয়েই গুলি করলেন। বাঘও মরল।
শুনে বৃদ্ধ অবাক হয়ে বললেন, এটা কি করে সম্ভব! ছাতা দিয়ে কি আর গুলি করা যায়? নিশ্চয়ই অন্য কেউ পাশ থেকে গুলি করেছে।
ডাক্তার উত্তর দিলেন, আপনি ঠিকই ধরেছেন।
১৩.
দুই লোক রাস্তায় দাঁড়িয়ে মারামারি করছে। আর একটা বাচ্চা দাঁড়িয়ে তা দেখছে। এক পর্যায়ে পুলিশ বাচ্চাটিকে জিজ্ঞেস করল, তোমার বাবা কোনজন?
বাচ্চাটি উত্তর দিল, এটা ঠিক করার জন্যই তো ওরা মারামারি করছে।
১৪.
এক সদ্য বিবাহিত তরুণ এক ডাক্তারের সাথে কথা বলছে-
তরুণঃ প্রথমবার আমি এত ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম যে একটু থেমে রেস্ট নিলাম। দ্বিতীয় দফায় মনে হচ্ছিল আমার বুক ফেটে যাবে। আর তৃতীয় দফায় মনে হল আমার হার্ট এটাক হয়ে যাবে…।
ডাক্তারঃ আপনার স্ত্রী…।
তরুণঃ এখানে স্ত্রীর প্রসঙ্গ আসছে কেন?
১৫.
লিপস্টিক কেনার জন্য স্বামীর কাছে টাকা চাইল স্ত্রী।
স্বামী বিরক্ত হয়ে বলল, তোমার লিপস্টিক কিনতে কিনতেই তো ফতুর হয়ে যাব!
স্ত্রী হেসে উত্তর দিল, হলে আমি কী করব! অর্ধেক তো তোমার পেটেই যায়।
Laughter out loudely (18+)
১.
রোগীঃ আশ্চর্য ব্যাপার ডাক্তার, আপনার নার্সের স্পর্শেই আমি অনেকটা সুস্থ!
ডাক্তারঃ হুম, স্পর্শের শব্দ আমি রুমের বাইরে থেকেই শুনতে পেয়েছি।
২.
এক পার্টিতে এক মহিলা আর পুরুষ তুমুল তর্ক করছিলেন। কোন বিষয়েই তারা একমত হতে পারছিলেন না। এক সময় মহিলা বললেন, আচ্ছা আমরা কি কোন বিষয়েই একমত হতে পারি না? পুরুষ উত্তর দিলেন, অবশ্যই পারি। ধরুন কোন এক ঝড়-বৃষ্টির রাতে আপনি কোন এক রাজবাড়িতে আশ্রয় নিলেন। যেখানে এক ঘরের এক বিছানায় রাজকুমারী শুয়ে আছে আর অন্য বিছানায় তার পুরুষ পাহারাদার। আপনি কার সাথে শোবেন? উত্তর এল, অবশ্যই রাজকুমারীর সাথে। পুরুষটি বললেন, আমিও।
৩.
সুন্দরী রোগীঃ ডক্টর আমি শুধু একটা জিনিসই চাই।
ডাক্তারঃ সেটা কি?
সুন্দরী রোগীঃ বাচ্চা।
ডাক্তারঃ আপনি নিশ্চিত থাকুন, এ ব্যাপারে আমি একবারও ব্যর্থ হই নি।
৪.
স্কুলে আজ প্রথম সেক্স লেসনের ক্লাস হল আক্কাসের। বাড়ি ফেরার পর তার মা-বাবা জানতে চাইলেন ক্লাস কেমন হয়েছে। আক্কাস হতাশ গলায় বলল, পুরো সময়টাই বেকার! আজ শুধু থিওরী হয়েছে!!
৫.
স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, তুমি কি বলতে পার সত্য আর বিশ্বাসের মধ্যে পার্থক্য কি? একটু ভেবে নিয়ে স্বামী উত্তর দিল, অবশ্যই পারি! যেমন ধর, আবুল তোমার ছেলে এটা সত্য আর আবুল আমার ছেলে এটা বিশ্বাস।
৬.
চোদ্দটি সন্তান নিয়ে হুলস্থূল সংসার পেতে নিয়ে বসেছেন এক দম্পতি। থাকেন তেতলা বাড়ির দোতলায়। একদিন পরিবার পরিকল্পনার লোকজন এসে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কেমন কথা! এই যুগে এতগুলো সন্তান কী করে হলো? গভীরভাবে ঈশ্বরে বিশ্বাসী স্ত্রী ছাদের দিকে আঙ্গুল তুলে বলল, উপরে একজন আছে, এ তারই দান। তখন পরিবার পরিকল্পনার লোকজন তেতলায় গিয়ে একজন অবিবাহিত যুবককে পেয়ে দ্রুত তার ভ্যাসেক্টমি করিয়ে ফেলল।
৭.
গ্রামের এক অশিক্ষিত লোক তার গর্ভবতী স্ত্রীকে শহরে নিয়ে এসেছে ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার মহিলাকে চেকআপ করার পরে বললেন, আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হন নি। পেটে গ্যাস হয়েছে। লোকটি ডাক্তারের উপর ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বলল, ফাজলামি পেয়েছেন! আমি কি একটা পাম্পার নাকি???
৮.
মেয়েঃ দেখবে কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশানটা দিয়েছিল?
ছেলেঃ (অতি উৎসাহী) অবশ্যই! কোথায়??
মেয়েঃ ঐ যে ঐ হাসপাতালটায়।
৯.
ছেলেঃ মা, বাবা কি খুব লাজুক?
মাঃ হ্যাঁ, উনি লাজুক না হলে তোমার বয়স আরো ছ'বছর বেশি হত।
১০.
সুন্দরী এক মেয়ে, এক তরূণ উল্কি আঁকিয়ের কাছে গেল পায়ে উল্কি আঁকতে। তরুণটি আঁকতে শুরু করল, আর একটু পরপর বলতে লাগল স্কার্টটা আরেকটু উপরে উঠান। বারবার স্কার্ট উঠাতে উঠাতে বিরক্ত তরুণী জানতে চাইল, আপনি কী আঁকছেন পায়ে? উত্তর এল, জিরাফ।
১১.
এক প্রফেসর তার সাইকোলজি ক্লাসে এক ছাত্রীকে প্রশ্ন করলেন, মানুষের শরীরের কোন অঙ্গটা উত্তেজিত অবস্থায় সাধারণ অবস্থার চেয়ে দশগুণ বড় হয়ে যায়? মেয়েটি লজ্জায় লাল হয়ে বলল, স্যার এটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। তখন একই প্রশ্ন প্রফেসর এক ছাত্রকে করলেন। ছেলেটি দাঁড়িয়ে বলল, স্যার চোখের মণি। তখন প্রফেসর মেয়েটিকে বললেন, এক নম্বর কথা, তুমি পড়াশোনায় যথেষ্ট অমনোযোগী, দুই নম্বর কথা তোমার মনমানসিকতা অশ্লীল এবং তিন নম্বর হচ্ছে বিয়ের পর তুমি অবশ্যই হতাশ হবে।
১২.
ছেলের জড়তা কাটাতে মা তার ছেলেকে বললেন, যাও তো বাবু, তোমার নতুন গভর্নেসকে একটা চুমু দিয়ে আস। ছেলে গম্ভীর চেহারায় উত্তর দিল, হুঁ, আর বাবার মতো একটা চড় খাই আর কি!
রোগীঃ আশ্চর্য ব্যাপার ডাক্তার, আপনার নার্সের স্পর্শেই আমি অনেকটা সুস্থ!
ডাক্তারঃ হুম, স্পর্শের শব্দ আমি রুমের বাইরে থেকেই শুনতে পেয়েছি।
২.
এক পার্টিতে এক মহিলা আর পুরুষ তুমুল তর্ক করছিলেন। কোন বিষয়েই তারা একমত হতে পারছিলেন না। এক সময় মহিলা বললেন, আচ্ছা আমরা কি কোন বিষয়েই একমত হতে পারি না? পুরুষ উত্তর দিলেন, অবশ্যই পারি। ধরুন কোন এক ঝড়-বৃষ্টির রাতে আপনি কোন এক রাজবাড়িতে আশ্রয় নিলেন। যেখানে এক ঘরের এক বিছানায় রাজকুমারী শুয়ে আছে আর অন্য বিছানায় তার পুরুষ পাহারাদার। আপনি কার সাথে শোবেন? উত্তর এল, অবশ্যই রাজকুমারীর সাথে। পুরুষটি বললেন, আমিও।
৩.
সুন্দরী রোগীঃ ডক্টর আমি শুধু একটা জিনিসই চাই।
ডাক্তারঃ সেটা কি?
সুন্দরী রোগীঃ বাচ্চা।
ডাক্তারঃ আপনি নিশ্চিত থাকুন, এ ব্যাপারে আমি একবারও ব্যর্থ হই নি।
৪.
স্কুলে আজ প্রথম সেক্স লেসনের ক্লাস হল আক্কাসের। বাড়ি ফেরার পর তার মা-বাবা জানতে চাইলেন ক্লাস কেমন হয়েছে। আক্কাস হতাশ গলায় বলল, পুরো সময়টাই বেকার! আজ শুধু থিওরী হয়েছে!!
৫.
স্ত্রী তার স্বামীকে বলল, তুমি কি বলতে পার সত্য আর বিশ্বাসের মধ্যে পার্থক্য কি? একটু ভেবে নিয়ে স্বামী উত্তর দিল, অবশ্যই পারি! যেমন ধর, আবুল তোমার ছেলে এটা সত্য আর আবুল আমার ছেলে এটা বিশ্বাস।
৬.
চোদ্দটি সন্তান নিয়ে হুলস্থূল সংসার পেতে নিয়ে বসেছেন এক দম্পতি। থাকেন তেতলা বাড়ির দোতলায়। একদিন পরিবার পরিকল্পনার লোকজন এসে স্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলেন, এ কেমন কথা! এই যুগে এতগুলো সন্তান কী করে হলো? গভীরভাবে ঈশ্বরে বিশ্বাসী স্ত্রী ছাদের দিকে আঙ্গুল তুলে বলল, উপরে একজন আছে, এ তারই দান। তখন পরিবার পরিকল্পনার লোকজন তেতলায় গিয়ে একজন অবিবাহিত যুবককে পেয়ে দ্রুত তার ভ্যাসেক্টমি করিয়ে ফেলল।
৭.
গ্রামের এক অশিক্ষিত লোক তার গর্ভবতী স্ত্রীকে শহরে নিয়ে এসেছে ডাক্তার দেখাতে। ডাক্তার মহিলাকে চেকআপ করার পরে বললেন, আপনার স্ত্রী গর্ভবতী হন নি। পেটে গ্যাস হয়েছে। লোকটি ডাক্তারের উপর ভীষণ ক্ষেপে গিয়ে বলল, ফাজলামি পেয়েছেন! আমি কি একটা পাম্পার নাকি???
৮.
মেয়েঃ দেখবে কাল ডাক্তার আমাকে কোথায় ইঞ্জেকশানটা দিয়েছিল?
ছেলেঃ (অতি উৎসাহী) অবশ্যই! কোথায়??
মেয়েঃ ঐ যে ঐ হাসপাতালটায়।
৯.
ছেলেঃ মা, বাবা কি খুব লাজুক?
মাঃ হ্যাঁ, উনি লাজুক না হলে তোমার বয়স আরো ছ'বছর বেশি হত।
১০.
সুন্দরী এক মেয়ে, এক তরূণ উল্কি আঁকিয়ের কাছে গেল পায়ে উল্কি আঁকতে। তরুণটি আঁকতে শুরু করল, আর একটু পরপর বলতে লাগল স্কার্টটা আরেকটু উপরে উঠান। বারবার স্কার্ট উঠাতে উঠাতে বিরক্ত তরুণী জানতে চাইল, আপনি কী আঁকছেন পায়ে? উত্তর এল, জিরাফ।
১১.
এক প্রফেসর তার সাইকোলজি ক্লাসে এক ছাত্রীকে প্রশ্ন করলেন, মানুষের শরীরের কোন অঙ্গটা উত্তেজিত অবস্থায় সাধারণ অবস্থার চেয়ে দশগুণ বড় হয়ে যায়? মেয়েটি লজ্জায় লাল হয়ে বলল, স্যার এটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। তখন একই প্রশ্ন প্রফেসর এক ছাত্রকে করলেন। ছেলেটি দাঁড়িয়ে বলল, স্যার চোখের মণি। তখন প্রফেসর মেয়েটিকে বললেন, এক নম্বর কথা, তুমি পড়াশোনায় যথেষ্ট অমনোযোগী, দুই নম্বর কথা তোমার মনমানসিকতা অশ্লীল এবং তিন নম্বর হচ্ছে বিয়ের পর তুমি অবশ্যই হতাশ হবে।
১২.
ছেলের জড়তা কাটাতে মা তার ছেলেকে বললেন, যাও তো বাবু, তোমার নতুন গভর্নেসকে একটা চুমু দিয়ে আস। ছেলে গম্ভীর চেহারায় উত্তর দিল, হুঁ, আর বাবার মতো একটা চড় খাই আর কি!
Hahaha (18+)
১.
বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই আদালতে হাজির। হাকিম মিটমাটের একটা প্রাথমিক চেষ্টা করলেন।
প্রথমে স্বামীকে প্রশ্ন করলেন, আপনি কি জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?
আমি চেয়েছিলাম ছেলের বাপ হতে, অথচ ও দুইবারই মেয়ে প্রসব করল।
স্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠলেন- মরদের মুরোদ তো ঢের দেখেছি। তোমার ভরসায় থাকলে মেয়ে দু’টিও দুনিয়ার মুখ দেখত না।
২.
মেয়েঃ তুমি যদি আবার আমাকে ওভাবে চুমু খাও, তবে আমি সারাজীবনের জন্য তোমার হয়ে যাব…।
ছেলেঃ সাবধান করে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
৩.
দুই বান্ধবীর আলাপচারিতা,
গতকাল জাহাঙ্গীরের এপার্টমেন্টে ন্যুড পোজ দিলাম।
কিন্তু তুই তো মডেল নোস।
বাহ্ তাতে কী? জাহাঙ্গীরও তো আর্টিস্ট না।
৪.
এক ভদ্রলোক এতই অলস যে বিয়ে করে বাসররাতে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে অপেক্ষায় ছিলেন কখন ভূমিকম্প হয়।
৫.
বই পড়ে হঠাৎই ছোট্ট হৃদয় জানতে পারল যে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্করই অন্তত একটি করে গোপনীয়তা আছে যেটা কোন মূল্যেই প্রকাশ করতে রাজি নয়। সে মনে মনে ভাবল, এটা নিয়ে খানিকটা মজা করা যাক। সে তার মা’র কাছে গিয়ে বলল, মা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। মা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার সোনামানিক, তোমার বাবাকে বলো না! তারপর সে আরেকদিন তার বাবাকে বলে বসল, বাবা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। বাবা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার জাদুসোনা তোমার মাকে বলো না! হৃদয় এতে দারুণ মজা পেয়ে গেল। তখনই দেখল তাদের বাড়ির সামনে দুধওয়ালা এসেছে দুধ দিতে। সে তার কাছেও দৌড়ে গিয়ে বলল, চাচা আসল সত্যটা আমি জানি। দুধওয়ালা সে কথা শুনে দু’হাত বাড়িয়ে ছলছল চোখে বলে উঠল- তবে আয় বাবা আয়, তোর আসল বাপের কোলে আয়।
৬.
সুন্দরী এক মহিলা থানায় গিয়ে অভিযোগ করল, ওসি সাহেব, আমার স্বামী বাজারে গিয়ে আর ফিরে আসে নি।
ওসি সাহেবঃ আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যান, আমি বাজার নিয়ে আসছি।
৭.
দুই বন্ধুর আলাপচারিতা-
আচ্ছা তুই নাকি কামালের স্ত্রী’র সাথে পালিয়ে যাবার চিন্তা করেছিলি?
হ্যাঁ। সেদিন ওর স্ত্রীকে নিয়ে পালাবার জন্য ওর বাড়ি পর্যন্ত গিয়েছিলাম।
তাহলে পালালি না কেন!
আর বলিস না, বাড়িতে ঢোকার মুখেই কামালের সাথে দেখা। সে আমাকে দেখেই খুশিতে ডগমগ হয়ে বলল, দাঁড়া, তোদের ট্যাক্সি ডেকে দিচ্ছি।
৮.
স্ত্রীঃ প্রত্যেক দিন পাশের বাসার ছেলে-মেয়ে দুটিকে দেখি বিদায় নেবার সময় পরস্পরকে চুমু খায়, তুমি ওরকম কর না কেন?
স্বামীঃ তুমি তো মেয়েটির সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দাও নি।
৯.
বিদেশ থেকে দু’বছর পর বাড়ি ফিরে জয়নাল দেখল তা বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা।
হাসান তার বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?
কার আবার? আমার।
কী, বলো কে আমার এ সর্বনাশ করেছে? নিশ্চয়ই আমার বন্ধু কাউসার হারামজাদা?
বউ চুপ।
তাহলে নিশ্চয়ই শয়তান কুদ্দুস?
না।
তাহলে বজ্জাত আরিফ?
না, তাও না।
তাহলে কে সে?
তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ, আমার কি কোন বন্ধু থাকতে পারে না!
১০.
প্রেমিকাঃ তোমরা ছেলেরা কোন কাজই নিজেরা করতে পার না। একটা বোতাম সেলাই করার জন্যও তোমাদের মেয়েদের দরকার হয়।
প্রেমিকঃ আরে মেয়েরা না থাকলে তো বোতামের দরকারই হতো না।
১১.
মেয়েঃ মা, নতুন গভর্নেস আমার গালে চড় দিয়েছে।
মাঃ ঠিক আছে ওকে আমি বকে দিব।
মেয়েঃ না, শুধু বকে দিলে হবে না, ওর গালে বাবার মত কামড়ে দিবে।
১২.
ঢাকার কোন এক আধুনিক স্কুলে সিদ্ধান্ত নেয়া হল ‘এডাল্ট এডুকেশন’ চালু করা হবে। এক ছাত্রীর মা-বাবা এতে খুব খশি হলেন। কিন্তু যখন জানতে পারলেন এর উপর ওরাল টেস্ট হবে তখন তারা মেয়েটির স্কুল বদলে ফেললেন।
১৩.
প্রেমিকার বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রেমিক দেখে বাড়ি খালি, শুধু প্রেমিকার ছোট ভাই আছে। তার হাতে বিশ টাকা দিয়ে বলল, যাও সিনেমা দেখে আস।
মাত্র বিশ টাকা? অন্যরা তো পঞ্চাশ টাকার নিচে দেয় না।
১৪.
কী রে, এই নতুন সাইকেল কোথায় পেলি?
একটা মেয়েকে চুমু খেলাম তাতেই…।
মানে?
মানে ওকে নিরিবিলিতে একটা চুমু খেতেই মেয়েটা বলল, আজ আমার সবকিছু নিতে পার। তখন আমি ওর সাইকেলটা নিয়ে চলে এলাম।
১৫.
জাজঃ আপনি বলছেন, আপনার প্রতিবেশী আপনাকে জোর করে আপনাকে চুমু খেয়েছে?
তরুণীঃ হ্যা, ইয়োর অনার।
জাজঃ কিন্তু এটা কি করে সম্ভব? সে তো আপনার চেয়ে অনেক খাটো!
তরুণীঃ কেন, আমি কি নিচু হতে পারি না?
১৬.
স্ত্রীঃ সামনের বাসার ছেলেটা আমার জানালায় শুধ উঁকি মারে। একটা পর্দা লাগানোর ব্যবস্থা কর।
স্বামীঃ ভালোমতো একবার তোমাকে দেখতে দাও তারপর আর পর্দা লাগাতে হবে না।
১৭.
ভাইভা পরীক্ষায়,
শিক্ষকঃ এমন একটা জিনিসের নাম বল যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত।
ছাত্রঃ চুল।
শিক্ষকঃ যেমন?
ছাত্রঃ মাথায় থাকলে চুল, চোখের উপরে ভ্রু, ঠোঁটের উপরে গোফ, গালে দাড়ি, বুকে লোম…
শিক্ষকঃ ব্যস ব্যস। তুমি পাস…
বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই আদালতে হাজির। হাকিম মিটমাটের একটা প্রাথমিক চেষ্টা করলেন।
প্রথমে স্বামীকে প্রশ্ন করলেন, আপনি কি জন্য বিবাহ বিচ্ছেদ চাচ্ছেন?
আমি চেয়েছিলাম ছেলের বাপ হতে, অথচ ও দুইবারই মেয়ে প্রসব করল।
স্ত্রী হুঙ্কার দিয়ে বলে উঠলেন- মরদের মুরোদ তো ঢের দেখেছি। তোমার ভরসায় থাকলে মেয়ে দু’টিও দুনিয়ার মুখ দেখত না।
২.
মেয়েঃ তুমি যদি আবার আমাকে ওভাবে চুমু খাও, তবে আমি সারাজীবনের জন্য তোমার হয়ে যাব…।
ছেলেঃ সাবধান করে দেবার জন্য ধন্যবাদ।
৩.
দুই বান্ধবীর আলাপচারিতা,
গতকাল জাহাঙ্গীরের এপার্টমেন্টে ন্যুড পোজ দিলাম।
কিন্তু তুই তো মডেল নোস।
বাহ্ তাতে কী? জাহাঙ্গীরও তো আর্টিস্ট না।
৪.
এক ভদ্রলোক এতই অলস যে বিয়ে করে বাসররাতে স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে অপেক্ষায় ছিলেন কখন ভূমিকম্প হয়।
৫.
বই পড়ে হঠাৎই ছোট্ট হৃদয় জানতে পারল যে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্করই অন্তত একটি করে গোপনীয়তা আছে যেটা কোন মূল্যেই প্রকাশ করতে রাজি নয়। সে মনে মনে ভাবল, এটা নিয়ে খানিকটা মজা করা যাক। সে তার মা’র কাছে গিয়ে বলল, মা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। মা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ৫০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার সোনামানিক, তোমার বাবাকে বলো না! তারপর সে আরেকদিন তার বাবাকে বলে বসল, বাবা আসল সত্যটা কিন্তু আমি জানি। বাবা চমকে উঠে সঙ্গে সঙ্গে তাকে ১০০ টাকা দিয়ে বলল, খবরদার জাদুসোনা তোমার মাকে বলো না! হৃদয় এতে দারুণ মজা পেয়ে গেল। তখনই দেখল তাদের বাড়ির সামনে দুধওয়ালা এসেছে দুধ দিতে। সে তার কাছেও দৌড়ে গিয়ে বলল, চাচা আসল সত্যটা আমি জানি। দুধওয়ালা সে কথা শুনে দু’হাত বাড়িয়ে ছলছল চোখে বলে উঠল- তবে আয় বাবা আয়, তোর আসল বাপের কোলে আয়।
৬.
সুন্দরী এক মহিলা থানায় গিয়ে অভিযোগ করল, ওসি সাহেব, আমার স্বামী বাজারে গিয়ে আর ফিরে আসে নি।
ওসি সাহেবঃ আপনি নিশ্চিন্তে বাড়ি যান, আমি বাজার নিয়ে আসছি।
৭.
দুই বন্ধুর আলাপচারিতা-
আচ্ছা তুই নাকি কামালের স্ত্রী’র সাথে পালিয়ে যাবার চিন্তা করেছিলি?
হ্যাঁ। সেদিন ওর স্ত্রীকে নিয়ে পালাবার জন্য ওর বাড়ি পর্যন্ত গিয়েছিলাম।
তাহলে পালালি না কেন!
আর বলিস না, বাড়িতে ঢোকার মুখেই কামালের সাথে দেখা। সে আমাকে দেখেই খুশিতে ডগমগ হয়ে বলল, দাঁড়া, তোদের ট্যাক্সি ডেকে দিচ্ছি।
৮.
স্ত্রীঃ প্রত্যেক দিন পাশের বাসার ছেলে-মেয়ে দুটিকে দেখি বিদায় নেবার সময় পরস্পরকে চুমু খায়, তুমি ওরকম কর না কেন?
স্বামীঃ তুমি তো মেয়েটির সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দাও নি।
৯.
বিদেশ থেকে দু’বছর পর বাড়ি ফিরে জয়নাল দেখল তা বউয়ের কোলে ছয় মাসের একটা বাচ্চা।
হাসান তার বউকে বলল, এটা কার বাচ্চা?
কার আবার? আমার।
কী, বলো কে আমার এ সর্বনাশ করেছে? নিশ্চয়ই আমার বন্ধু কাউসার হারামজাদা?
বউ চুপ।
তাহলে নিশ্চয়ই শয়তান কুদ্দুস?
না।
তাহলে বজ্জাত আরিফ?
না, তাও না।
তাহলে কে সে?
তুমি শুধু তোমার বন্ধুদের কথাই বলছ, আমার কি কোন বন্ধু থাকতে পারে না!
১০.
প্রেমিকাঃ তোমরা ছেলেরা কোন কাজই নিজেরা করতে পার না। একটা বোতাম সেলাই করার জন্যও তোমাদের মেয়েদের দরকার হয়।
প্রেমিকঃ আরে মেয়েরা না থাকলে তো বোতামের দরকারই হতো না।
১১.
মেয়েঃ মা, নতুন গভর্নেস আমার গালে চড় দিয়েছে।
মাঃ ঠিক আছে ওকে আমি বকে দিব।
মেয়েঃ না, শুধু বকে দিলে হবে না, ওর গালে বাবার মত কামড়ে দিবে।
১২.
ঢাকার কোন এক আধুনিক স্কুলে সিদ্ধান্ত নেয়া হল ‘এডাল্ট এডুকেশন’ চালু করা হবে। এক ছাত্রীর মা-বাবা এতে খুব খশি হলেন। কিন্তু যখন জানতে পারলেন এর উপর ওরাল টেস্ট হবে তখন তারা মেয়েটির স্কুল বদলে ফেললেন।
১৩.
প্রেমিকার বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রেমিক দেখে বাড়ি খালি, শুধু প্রেমিকার ছোট ভাই আছে। তার হাতে বিশ টাকা দিয়ে বলল, যাও সিনেমা দেখে আস।
মাত্র বিশ টাকা? অন্যরা তো পঞ্চাশ টাকার নিচে দেয় না।
১৪.
কী রে, এই নতুন সাইকেল কোথায় পেলি?
একটা মেয়েকে চুমু খেলাম তাতেই…।
মানে?
মানে ওকে নিরিবিলিতে একটা চুমু খেতেই মেয়েটা বলল, আজ আমার সবকিছু নিতে পার। তখন আমি ওর সাইকেলটা নিয়ে চলে এলাম।
১৫.
জাজঃ আপনি বলছেন, আপনার প্রতিবেশী আপনাকে জোর করে আপনাকে চুমু খেয়েছে?
তরুণীঃ হ্যা, ইয়োর অনার।
জাজঃ কিন্তু এটা কি করে সম্ভব? সে তো আপনার চেয়ে অনেক খাটো!
তরুণীঃ কেন, আমি কি নিচু হতে পারি না?
১৬.
স্ত্রীঃ সামনের বাসার ছেলেটা আমার জানালায় শুধ উঁকি মারে। একটা পর্দা লাগানোর ব্যবস্থা কর।
স্বামীঃ ভালোমতো একবার তোমাকে দেখতে দাও তারপর আর পর্দা লাগাতে হবে না।
১৭.
ভাইভা পরীক্ষায়,
শিক্ষকঃ এমন একটা জিনিসের নাম বল যা ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত।
ছাত্রঃ চুল।
শিক্ষকঃ যেমন?
ছাত্রঃ মাথায় থাকলে চুল, চোখের উপরে ভ্রু, ঠোঁটের উপরে গোফ, গালে দাড়ি, বুকে লোম…
শিক্ষকঃ ব্যস ব্যস। তুমি পাস…
Subscribe to:
Posts (Atom)