Laugh for live

Laugh for live

Saturday, March 31, 2012

hard coded 18+

এক লোক তার জীবন নিয়ে হতাশ।কোনো কিছু ভালো লাগে না। হঠাত্ত একদিন সে এক যায়গার সন্ধান পেল যেখানে নাকি সেক্স ফ্যান্টাসী দেয়া হয় চ্যালেঞ্জ করে। তো সে গেল সেখানে। ওরা অনেক টাকার বিনিময়ে রাজী হয়ে বলল আগামীকাল সকাল ১০ টায় আসবেন।লোক্টা পরের দিন গেলে ওরা একটা রুম দেখিয়ে দিয়ে বলল ওই ঘরে যেয়ে দেখবেন একটা মুরগী আছে।আপনার কাজ হচ্ছে মুরগী টাকে জোড় না করে আলত করে ধরে আপনার ধোনের আগায় মুরগীর পুটকি লাগিয়ে চোদার চেষ্টা করা।এ কথা শুনে তো লোক্টা চরম খেপে গেল।পরে ওই প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র এক অফিসারের চেষ্টায় তাকে রাজী করিয়ে পাঠানো হল। তা লোক্টা রুম এ ঢুকে তার ধোন টা বের করে মুরগীর গুদে লাগানোর সাথে সাথে মুরগীটা কক কক করতে করতে উড়ে যায়। এটা দেখে তো সে ব্যাপক মজা পেল। সুতরাং সে পরের দিন আবার এল নতুন কোনো ফ্যান্টাসীর জন্যে। এবার তাকে একটা রুম এর ফুটো দেখিয়ে চোখ লাগিয়ে দেখতে পেল। এবার সে দেখলো, রুমের মাঝে এক্তা শসা পোতা আছে। আর এক মহিলা লাফ দিয়ে এসে এসে ওই শসার উপর পড়ে ভোদায় শসা দেখাচ্ছে। এটা দেখে লোক্টা বলে আল্লাহর দুনিয়ায় কত কিসিমের মানুষ যে আছে। তখন তার পাসেই আর একটা ফুটা দিয়ে আর এক লোক ও দেখছিল। এটা শোনার পর সে বলল, ভাই এ তো কিছুই না। গত কাল এক লোক মুরগী নিয়ে যা করল !!!

====================================================

একবার হাসিনার দুধ ঝোলা দেখে মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করল, হাসিনার দুধ ঝোলা কেন। তখন হাসিনা বলল, আমার দুধ ঝোলা না দেখে দেশ ঝুলে গেছে সেটা নিয়ে মাথা ঘামান। তখন তারা বলল, বিরোধী দলের চেয়ার পারসন খালেদার ভোদা দুভাগ কেন জবাব চাই। তখন খালেদা বলল, আমার ভোদার দুভাগ না দেখে দেশ দুভাগ হয়ে যাচ্ছে সেটা দেখেন, এমন সময় এরশাদ চাচা ধুমায়ে খেচতাছে। খেচতে খেচতে মাল আউট হবে এমন সময় অভিযোগ আসল, এরশাদের ধোন খাড়া কেন, তখন সে জবাব দিল দেশকে এখন শক্ত হাতে এভাবে ধরতে হবে বলে মাল আউট করে দিল…


===========================================

Vodro jokes (Non 18+)

$$ফেসবুক দুনিয়া

এক ছেলের ফেসবুক স্ট্যাটাস
“ক্লাসে লেকচার চলছে...আর আমি ফেসবুকে অনলাইনে...হাহাহাহা”

তার শিক্ষকের কমেন্ট
“বের হয়ে যাও ক্লাস থেকে এখনি”

বন্ধুর কমেন্ট
“আরে ক্যান্টিনে আয়... কার্ড খেলবো...

গেটকিপারের কমেন্ট
“আগে নিজের বাইক লক করে যাও... ডীন ঘুরতে বের হইছে”

মায়ের কমেন্ট
“অসভ্য! ক্লাস না করলে ১ কেজি পিয়াজ নিয়ে সোজা বাসা চলে আয়”

বাবার কমেন্ট
“দেখো দেখো তোমার ছেলের কাজকারবার দেখো!!”

প্রেমিকার কমেন্ট
“ I hate u…বললাম আজকে দেখা করি... বলে কি দাদা হাসপাতালে... ডেটিং এ যেতে পারবো না... ঃ

দাদার কমেন্ট
“নালায়েক...বাসায় আয় আগে...দেখাচ্ছি কে হাসপাতালে যায়...”








$$প্রগতিশীল বর (দোকানের সেলস্ গার্লকে): আচ্ছা আপনাদের এখানে কি এমন কোন বই আছে যার নাম "মহিলাদের শাসন কর্তা পুরুষ"?
সেলস্ গার্লঃ জি স্যার, আষাঢ়ে গল্পের বই ৩/২ নং সেকশনে পাবেন।





$$ গভীর রাতে স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখেন পাশে স্বামী নেই। তাকে খুঁজে পেলেন ডাইনিং টেবিলে। দেখেন, তিনি এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে স্থির তাকিয়ে আছেন। স্ত্রী লক্ষ্য করলেন, স্বামী গভীর চিন্তামগ্ন। কফিতে একবার চুমুক দিচ্ছেন আর চোখের পানি মুচ্ছেন। স্ত্রী কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী হয়েছে তোমার? দেয়াল থেকে চোখ ফিরিয়ে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে স্বামী বললেন, আজ থেকে ২০ বছর আগের সেই দিনের কথা তোমার মনে আছে? স্ত্রী বললেন, হ্যাঁ। স্বামী বললেন, একবার তোমার বাবা বলেছিলেন, হয় আমার মেয়েকে বিয়ে করবে, নয়তো ২০ বছরের জন্য জেল খাটতে হবে মনে আছে? স্ত্রী বললেন, হ্যাঁ, তাও মনে আছে। স্বামী চোখ মুছে বললেন, সেদিন যদি তোমাকে বিয়ে না করে জেলে যেতাম, তাহলে আজ মুক্তি পেতাম?




$$স্ত্রী: আমার সাথে ১০ বছর সময় কাটানো তোমার কাছে কি?
স্বামী: আরে সে ১ সেকেন্ড মনে হয়। চোখের পলকে কেটে গেল প্রিয়ে...
স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০ টাকা তোমার জন্য কি?
স্বামী: আরে সেত ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না।
স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে)তা জানু আমাকে ১০,০০০ টাকা দিতে পারবে এখন?
স্বামী: (গম্ভির হয়ে) দাড়াও এক সেকেন্ড পরে দেই।





$$স্ত্রী: প্রতিজ্ঞা করো, আমি মরে যাওয়ার পর কাউকে ভালোবাসবে না।
স্বামী: সে প্রতিজ্ঞা করলাম। কিন্তু তুমি বেঁচে থাকা অবস্থায় এই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করার তো দরকার নেই?





$$স্বামী: তুমি কি ভেবেছো? আমি কি গাধা!!?
স্ত্রী: এতে ভাবাভাবির তো কিছু দেখি না!




$$১ম বান্ধবীঃ হ্যা রে, তোকে যে পাখিটা দিয়েছিলাম সেটা কেমন?
২য় বান্ধবীঃ হ্যা খুবই টেস্টি! এত মজা লেগেছে খেতে।
১ম বান্ধবিঃ মানে? তুই কি সেটা রান্না করে খেয়েছিস? জানিস পাখিটা সাতটা ভাষায় কথা বলতে পারত?
২য় বান্ধবীঃ কই? জবাই করার সময় তো কিছু বলেনি!





$$স্ত্রীঃ স্বামী এবং স্ত্রীকে কখনো একসঙ্গে স্বর্গে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয় না।
স্বামীঃ হ্যাঁ, এজন্যই এর নাম স্বর্গ।