এক রেড ইন্ডিয়ান বৃদ্ধ আর অল্প বয়সের তরূনী এসেছে হাসপাতালে। মেয়েটার বাচ্চা হবে। ডাক্তার বাচ্চা ডেলিভারি দেয়ার পর, বুড়াকে জিজ্ঞেস করল, এই বয়সে পোলার বাপ... ক্যামনে পারেন আপনি?
হে হে হে... পুরান ইঞ্জিনেও কাম চলে।
পরের বছর আবার বাচ্চা হলো। এইবারো ছেলে। ডাক্তার জিজ্ঞেস করল, আপনার কি স্পেশাল কোন মেডিসিন জানা আছে? ক্যামনে করতাছেন এই কাজ?
হে হে হে... পুরান ইঞ্জিন এখনো নষ্ট হয় নাই।
পরের বছর আবার বাচ্চা হবে। এইবারও ছেলে। ডাক্তার বের হয়ে এসেছে। তাকে দেখেই বৃদ্ধ বলল, হে হে হে...পুরান ইঞ্জিন কাজ করতাছে...
ডাক্তার বলল, হুমম... তয় মনে হয় তেল পাল্টাতে হবে। এইবারের ছেলে ত নিগ্রো।
=================================================================
আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে নিয়ে একবার এক টিভি এক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করলেন। যেখানে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এর চোখ বাধা থাকবে এবং দেশের বিভিন্ন নায়িকার চুমো খাবেন। তাকে বলতে হবে কে চুমো খেলেন।
১ম বার বাংলাদেশের নায়িকা অঞ্জুঘোষ চুপে চুপে চুমো খেয়ে গেলেন। আজিজ মোহাম্মদ ভাই চোখ বাধা অবস্থায় তিন সেকেন্ডের ভেতর বলে দিলেন, এটা অঞ্জু।
সবাই খুব অবাক হলেন!!! ২য় নাম্বারে এলেন সাবানা, সবাই জানে সাবানা ভালো মেয়ে, কোন ঘটনা নেই, আজিজ হয়তো ধরতে পারবে না। কিন্তু বিধি বাম। আজিজ ভাই ৪ সেকেন্ডর মাথায় বলে দিলেন এটা সাবানা।
একে একে শাবনুর, ময়ূরী সবাই ফেল মারলেন। আজিজ মোহাম্মদ ভাই সবার নাম বলে দিচ্ছেন।
পাশে মমতাজ দাড়ানো ছিলো। তিনি নায়িকা নন। কিন্তু আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের এই ক্ষমতা দেখে তার মাথায় রক্ত উঠে গেল। তিনি বললেন , "দাড়া তোকে মজা দেখাই"
তিনি তার শাড়িটা তুলে তার বিশেষ জায়গাটা দিয়ে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ঠোটে একটি চুমো দিলেন। আজিজি মোহাম্মদ ভাই প্রায় দুই মিনিট চোখ বন্ধ করে বসে রইলেন। তারপর বললেন। "এটা আসাদুজ্জামান নূর" ।
================================================================
ক্লাসে ঢুকে মিস দেখলেন, বোর্ডে ক্ষুদে হরফে পুরুষদের বিশেষ প্রত্যঙ্গটির কথ্য নামটি লেখা।
ভীষণ চটে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, 'কে লিখেছে এটা?'
কেউ উত্তর দিলো না। মিস তড়িঘড়ি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।
পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরেকটু বড় হরফে লেখা। আবারও ক্ষেপলেন মিস, 'কে লিখেছে এটা?'
কেউ উত্তর দিলো না। মিস আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।
পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরো একটু বড় হরফে লেখা। মিস কিছু না বলে শুধু ডাস্টার ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা।
তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার গোটা বোর্ড জুড়ে শব্দটি লেখা। মিস বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন।
তার পরদিন ক্লাসে এসে মিস দেখলেন, বোর্ডে লেখা: যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে।
===============================================================
Women's life is very difficult!!!! bcoz...
Morning: Washing Cloth..
Afternoon: Drying Cloth..
Evening: Ironing Cloth...
Night: Opening Cloth...
Late Night: Searching Cloth...
=================================================================