Laugh for live

Laugh for live

Saturday, October 20, 2012

Newwwwwww

দুই বান্ধবীর কথোপকথন
১ম জন- এক ছেলেকে আমি আজ বোকা বানাইছি
২য় জন- কেমনে ?
১ম জন-ওর কাছ থেকে ৫০ টাকা নিয়ে সেন্ডেলের ফাকে লুকিয়ে রেখেছিলাম,আর গাধা আমার ব্রার মধ্যে আধা ঘন্টায়ও খুজে পায় নাই
============================================================
মেয়ে তার বায়োলোজি ম্যাডাম কেঃ
"ম্যাডাম্, ভালো সিনেমা এবং অশ্লীল সিনেমার ভিতরে পার্থক্য কি?"
ম্যাডাম্- "যদি কোনো সিনেমা দেখে তোমার চোখে পানি আসে তাহলে সেটা ভালো সিনেমা, আর যদি সিনেমা দেখে দুই পায়ের মাঝে পানি আসে তাহলে সেটা অশ্লীল সিনেমা।"
=============================================================
পিন্টু স্কুল থেকে এসে আদা খান কে বলছে, “বাবা, বাবা আজকে না স্কুলে এক নতুন ম্যাডাম আসছে। ম্যাডামটা না একটা মাল!!!
আদা খান: চুপ কর বেয়াদব ম্যাডাম মায়ের মত.
পিন্টু: হ্যাঁ , হ্যাঁ , খালি নিজের কথাই ভাব!!
==============================================================
যুবতী ছাতি মিস্ত্রির নিকট ভাঙ্গা ছাতি নিয়ে গেল-
মিস্ত্রী: “উপরের কাপড় খুলতে হবে, আর নীচে ডান্ডা লাগাতে হবে”
যুবতী: “যা ইচ্ছা করো, কিন্তু পানি যেন ভিতরে না পড়ে।
==============================================================
মাঃ তোমার কি ছেলেটা পছন্দ হয়েছে ? হলে বলো সম্পর্ক পাকা-পাকি করবো।
মেয়েঃ ummm মা…, ছেলে তো ভালই কিন্তু….. একটু short।
মাঃ আরে টিভি ১৪ ইঞ্চির হোক আর ২৯ ইঞ্চির হোক, রিমোট কিন্তু ৬ ইঞ্চিরই হয়
==============================================================

Monday, May 14, 2012

jokrs

মিলির বিয়ে হয়েছে এক বাসের কন্ডাক্টরের সাথে। বিয়ের পরের দিন মিলিকে তার বান্ধবী জিজ্ঞেস করছেঃ কী রে, বাসর রাত কেমন কাটল?
- আর, বলিস না, প্রথমদিনেই পাছা ব্যথা করে দিয়েছে।
- বলিস কি রে? প্রথম দিনই পাছায়...?
- আর বলিস কেন? সারারাত কেবল থাবড়েছে আর বলছে- ''ওস্তাদ বাঁয়ে চাপেন, ওস্তাদ ডাইনে চাপেন...! ''


========================================================================
রণন আর নাছের দুই বন্ধুতে কথা হচ্ছে।
রণন: বুঝলি নাছের, সুলেখাকে আমি ভালোবাসতাম, কিন্তু এখন আর বাসি না।
নাছের: কেন?
রণন: মেয়েটা কানে কম শোনে।
নাছের: কী করে বুঝলি?
রণন: আমি ওকে বললাম, আমি তোমাকে ভালোবাসি। আর ও বলল, আমার পায়ের স্যান্ডেলটা নতুন!


=======================================================================

ছেলেঃ আচ্ছা বাবা একটা Car এক্সিডেন্ট করে চিৎ হয়ে পড়লে তাকে কী বলবে???
বাবাঃ Car কে Car বলবে আর কী?
ছেলেঃ না ওটাকে বলবে চিৎ Car।
ছেলেঃ আর যদি Car টার হেডলাইট ভেঙ্গে যায় তো কী বলবে???
বাবাঃ জানি না।
ছেলেঃ তখন বলবে অন্ধ Car , বুঝলে।


=======================================================================

  

Saturday, March 31, 2012

hard coded 18+

এক লোক তার জীবন নিয়ে হতাশ।কোনো কিছু ভালো লাগে না। হঠাত্ত একদিন সে এক যায়গার সন্ধান পেল যেখানে নাকি সেক্স ফ্যান্টাসী দেয়া হয় চ্যালেঞ্জ করে। তো সে গেল সেখানে। ওরা অনেক টাকার বিনিময়ে রাজী হয়ে বলল আগামীকাল সকাল ১০ টায় আসবেন।লোক্টা পরের দিন গেলে ওরা একটা রুম দেখিয়ে দিয়ে বলল ওই ঘরে যেয়ে দেখবেন একটা মুরগী আছে।আপনার কাজ হচ্ছে মুরগী টাকে জোড় না করে আলত করে ধরে আপনার ধোনের আগায় মুরগীর পুটকি লাগিয়ে চোদার চেষ্টা করা।এ কথা শুনে তো লোক্টা চরম খেপে গেল।পরে ওই প্রতিষ্ঠানের সিনিয়র এক অফিসারের চেষ্টায় তাকে রাজী করিয়ে পাঠানো হল। তা লোক্টা রুম এ ঢুকে তার ধোন টা বের করে মুরগীর গুদে লাগানোর সাথে সাথে মুরগীটা কক কক করতে করতে উড়ে যায়। এটা দেখে তো সে ব্যাপক মজা পেল। সুতরাং সে পরের দিন আবার এল নতুন কোনো ফ্যান্টাসীর জন্যে। এবার তাকে একটা রুম এর ফুটো দেখিয়ে চোখ লাগিয়ে দেখতে পেল। এবার সে দেখলো, রুমের মাঝে এক্তা শসা পোতা আছে। আর এক মহিলা লাফ দিয়ে এসে এসে ওই শসার উপর পড়ে ভোদায় শসা দেখাচ্ছে। এটা দেখে লোক্টা বলে আল্লাহর দুনিয়ায় কত কিসিমের মানুষ যে আছে। তখন তার পাসেই আর একটা ফুটা দিয়ে আর এক লোক ও দেখছিল। এটা শোনার পর সে বলল, ভাই এ তো কিছুই না। গত কাল এক লোক মুরগী নিয়ে যা করল !!!

====================================================

একবার হাসিনার দুধ ঝোলা দেখে মানবাধিকার কর্মীরা অভিযোগ করল, হাসিনার দুধ ঝোলা কেন। তখন হাসিনা বলল, আমার দুধ ঝোলা না দেখে দেশ ঝুলে গেছে সেটা নিয়ে মাথা ঘামান। তখন তারা বলল, বিরোধী দলের চেয়ার পারসন খালেদার ভোদা দুভাগ কেন জবাব চাই। তখন খালেদা বলল, আমার ভোদার দুভাগ না দেখে দেশ দুভাগ হয়ে যাচ্ছে সেটা দেখেন, এমন সময় এরশাদ চাচা ধুমায়ে খেচতাছে। খেচতে খেচতে মাল আউট হবে এমন সময় অভিযোগ আসল, এরশাদের ধোন খাড়া কেন, তখন সে জবাব দিল দেশকে এখন শক্ত হাতে এভাবে ধরতে হবে বলে মাল আউট করে দিল…


===========================================

Vodro jokes (Non 18+)

$$ফেসবুক দুনিয়া

এক ছেলের ফেসবুক স্ট্যাটাস
“ক্লাসে লেকচার চলছে...আর আমি ফেসবুকে অনলাইনে...হাহাহাহা”

তার শিক্ষকের কমেন্ট
“বের হয়ে যাও ক্লাস থেকে এখনি”

বন্ধুর কমেন্ট
“আরে ক্যান্টিনে আয়... কার্ড খেলবো...

গেটকিপারের কমেন্ট
“আগে নিজের বাইক লক করে যাও... ডীন ঘুরতে বের হইছে”

মায়ের কমেন্ট
“অসভ্য! ক্লাস না করলে ১ কেজি পিয়াজ নিয়ে সোজা বাসা চলে আয়”

বাবার কমেন্ট
“দেখো দেখো তোমার ছেলের কাজকারবার দেখো!!”

প্রেমিকার কমেন্ট
“ I hate u…বললাম আজকে দেখা করি... বলে কি দাদা হাসপাতালে... ডেটিং এ যেতে পারবো না... ঃ

দাদার কমেন্ট
“নালায়েক...বাসায় আয় আগে...দেখাচ্ছি কে হাসপাতালে যায়...”








$$প্রগতিশীল বর (দোকানের সেলস্ গার্লকে): আচ্ছা আপনাদের এখানে কি এমন কোন বই আছে যার নাম "মহিলাদের শাসন কর্তা পুরুষ"?
সেলস্ গার্লঃ জি স্যার, আষাঢ়ে গল্পের বই ৩/২ নং সেকশনে পাবেন।





$$ গভীর রাতে স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে উঠে দেখেন পাশে স্বামী নেই। তাকে খুঁজে পেলেন ডাইনিং টেবিলে। দেখেন, তিনি এক কাপ কফি নিয়ে দেয়ালের দিকে স্থির তাকিয়ে আছেন। স্ত্রী লক্ষ্য করলেন, স্বামী গভীর চিন্তামগ্ন। কফিতে একবার চুমুক দিচ্ছেন আর চোখের পানি মুচ্ছেন। স্ত্রী কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, কী হয়েছে তোমার? দেয়াল থেকে চোখ ফিরিয়ে স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে স্বামী বললেন, আজ থেকে ২০ বছর আগের সেই দিনের কথা তোমার মনে আছে? স্ত্রী বললেন, হ্যাঁ। স্বামী বললেন, একবার তোমার বাবা বলেছিলেন, হয় আমার মেয়েকে বিয়ে করবে, নয়তো ২০ বছরের জন্য জেল খাটতে হবে মনে আছে? স্ত্রী বললেন, হ্যাঁ, তাও মনে আছে। স্বামী চোখ মুছে বললেন, সেদিন যদি তোমাকে বিয়ে না করে জেলে যেতাম, তাহলে আজ মুক্তি পেতাম?




$$স্ত্রী: আমার সাথে ১০ বছর সময় কাটানো তোমার কাছে কি?
স্বামী: আরে সে ১ সেকেন্ড মনে হয়। চোখের পলকে কেটে গেল প্রিয়ে...
স্ত্রী: (খুশি হয়ে) আমার জন্য ১০,০০০ টাকা তোমার জন্য কি?
স্বামী: আরে সেত ১ টাকার মত। কোন ব্যাপারই না।
স্ত্রী: (ততধিক খুশি হয়ে)তা জানু আমাকে ১০,০০০ টাকা দিতে পারবে এখন?
স্বামী: (গম্ভির হয়ে) দাড়াও এক সেকেন্ড পরে দেই।





$$স্ত্রী: প্রতিজ্ঞা করো, আমি মরে যাওয়ার পর কাউকে ভালোবাসবে না।
স্বামী: সে প্রতিজ্ঞা করলাম। কিন্তু তুমি বেঁচে থাকা অবস্থায় এই প্রতিজ্ঞা রক্ষা করার তো দরকার নেই?





$$স্বামী: তুমি কি ভেবেছো? আমি কি গাধা!!?
স্ত্রী: এতে ভাবাভাবির তো কিছু দেখি না!




$$১ম বান্ধবীঃ হ্যা রে, তোকে যে পাখিটা দিয়েছিলাম সেটা কেমন?
২য় বান্ধবীঃ হ্যা খুবই টেস্টি! এত মজা লেগেছে খেতে।
১ম বান্ধবিঃ মানে? তুই কি সেটা রান্না করে খেয়েছিস? জানিস পাখিটা সাতটা ভাষায় কথা বলতে পারত?
২য় বান্ধবীঃ কই? জবাই করার সময় তো কিছু বলেনি!





$$স্ত্রীঃ স্বামী এবং স্ত্রীকে কখনো একসঙ্গে স্বর্গে ঢোকার অনুমতি দেয়া হয় না।
স্বামীঃ হ্যাঁ, এজন্যই এর নাম স্বর্গ।

Saturday, February 18, 2012

এক রেড ইন্ডিয়ান বৃদ্ধ আর অল্প বয়সের তরূনী এসেছে হাসপাতালে। মেয়েটার বাচ্চা হবে। ডাক্তার বাচ্চা ডেলিভারি দেয়ার পর, বুড়াকে জিজ্ঞেস করল, এই বয়সে পোলার বাপ... ক্যামনে পারেন আপনি?

হে হে হে... পুরান ইঞ্জিনেও কাম চলে।

পরের বছর আবার বাচ্চা হলো। এইবারো ছেলে। ডাক্তার জিজ্ঞেস করল, আপনার কি স্পেশাল কোন মেডিসিন জানা আছে? ক্যামনে করতাছেন এই কাজ?

হে হে হে... পুরান ইঞ্জিন এখনো নষ্ট হয় নাই।



পরের বছর আবার বাচ্চা হবে। এইবারও ছেলে। ডাক্তার বের হয়ে এসেছে। তাকে দেখেই বৃদ্ধ বলল, হে হে হে...পুরান ইঞ্জিন কাজ করতাছে...

ডাক্তার বলল, হুমম... তয় মনে হয় তেল পাল্টাতে হবে। এইবারের ছেলে ত নিগ্রো।

=================================================================

আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে নিয়ে একবার এক টিভি এক অনুষ্ঠান এর আয়োজন করলেন। যেখানে আজিজ মোহাম্মদ ভাই এর চোখ বাধা থাকবে এবং দেশের বিভিন্ন নায়িকার চুমো খাবেন। তাকে বলতে হবে কে চুমো খেলেন।

১ম বার বাংলাদেশের নায়িকা অঞ্জুঘোষ চুপে চুপে চুমো খেয়ে গেলেন। আজিজ মোহাম্মদ ভাই চোখ বাধা অবস্থায় তিন সেকেন্ডের ভেতর বলে দিলেন, এটা অঞ্জু।

সবাই খুব অবাক হলেন!!! ২য় নাম্বারে এলেন সাবানা, সবাই জানে সাবানা ভালো মেয়ে, কোন ঘটনা নেই, আজিজ হয়তো ধরতে পারবে না। কিন্তু বিধি বাম। আজিজ ভাই ৪ সেকেন্ডর মাথায় বলে দিলেন এটা সাবানা।



একে একে শাবনুর, ময়ূরী সবাই ফেল মারলেন। আজিজ মোহাম্মদ ভাই সবার নাম বলে দিচ্ছেন।

পাশে মমতাজ দাড়ানো ছিলো। তিনি নায়িকা নন। কিন্তু আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের এই ক্ষমতা দেখে তার মাথায় রক্ত উঠে গেল। তিনি বললেন , "দাড়া তোকে মজা দেখাই"

তিনি তার শাড়িটা তুলে তার বিশেষ জায়গাটা দিয়ে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ঠোটে একটি চুমো দিলেন। আজিজি মোহাম্মদ ভাই প্রায় দুই মিনিট চোখ বন্ধ করে বসে রইলেন। তারপর বললেন। "এটা আসাদুজ্জামান নূর" ।

================================================================

ক্লাসে ঢুকে মিস দেখলেন, বোর্ডে ক্ষুদে হরফে পুরুষদের বিশেষ প্রত্যঙ্গটির কথ্য নামটি লেখা।



ভীষণ চটে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলেন তিনি, 'কে লিখেছে এটা?'



কেউ উত্তর দিলো না। মিস তড়িঘড়ি করে সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।



পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরেকটু বড় হরফে লেখা। আবারও ক্ষেপলেন মিস, 'কে লিখেছে এটা?'



কেউ উত্তর দিলো না। মিস আবার সেটা ডাস্টার দিয়ে ঘষে মুছে ফেললেন।



পরদিন আবার ক্লাসে একই কান্ড, এবার শব্দটি আরো একটু বড় হরফে লেখা। মিস কিছু না বলে শুধু ডাস্টার ঘষে মুছে দিলেন লেখাটা।



তার পরদিন আবারও একই কান্ড, এবার গোটা বোর্ড জুড়ে শব্দটি লেখা। মিস বহুকষ্টে মেজাজ ঠিক রেখে ডাস্টার ঘষে লেখাটা মুছলেন।



তার পরদিন ক্লাসে এসে মিস দেখলেন, বোর্ডে লেখা: যত বেশি ঘষবেন, এটা ততই বাড়বে।

===============================================================

Women's life is very difficult!!!! bcoz...

Morning: Washing Cloth..

Afternoon: Drying Cloth..

Evening: Ironing Cloth...

Night: Opening Cloth...

Late Night: Searching Cloth...


=================================================================