Laugh for live

Laugh for live

Saturday, December 3, 2011

একবার ক্লাস এ পরীক্ষা চলছে ; যে শিক্ষক হল পরিদর্শনে আছেন পুরো হল এ চক্কর দিচ্ছেন ছাত্ররা বিন্দুমাত্র সুযোগ পাচ্ছেনা দেখা দেখি বা কথা বলার। ঠিক এই সময় এক ছাত্র শিক্ষক কে একটা চিরকুট ধরিয়ে দিলো সাথে সাথে শিক্ষক তার চেয়ার এ গিয়ে চুপচাপ বসে পড়লেন!! কি ছিল চিরকুট এ?? ...।
.
.
.
.
.
.
"স্যার আপনার প্যান্ট পিছন থেকে ফাটা" :p :P
============================================================

BF: তার বান্দবিকে বলছে আচ্ছা বলতো ৬' ইঞ্চি একটা জিনিস যেটা দরলেই শরিরে অন্য রকম লাগে , আর আমি তোমাকে দিলে তুমি তা সাবধানে বিশেষ জায়গায় ঢুকিয়ে রাখ এবং আরও বেশী বেশি পরিমানে চাও। বলতো জিনিসটা কি?

GF: যা দুষ্ট , কি বল এইসব,আমার লজ্জা লাগে...আমি বলতে পারবোনা... !!!

BF:আরে লজ্জার কি আছে !! তুমিকি মনে করছ ??...আমি তো...
/
/
/
/

/
/
/
/৫০০৳ টাকার নোটের কথা বলছি!!! তোমার দেখি চিন্তাই খারাপ....? ?

=========================================================

আপনি কি বোর হচ্ছেন??
.
.
কিছু করতে ইচ্ছা করছে??
...
... ....
.....
......
........
.........
...........
তাহলে চেইন খোলেন
...
.....
......
.......
হাত ভিতরে ঢুকান
....
......
.......
........
আর ব্যাগ থাইকা বই বাহির কইরা পড়েন!! :P:P
....
.......
........
.........
কি ভাবসিলেন: D:D হে হে হে খাচ্চর কোথাকার :P:P

========================================================

বেড রুমে ঢুকে দেখে তার স্ত্রী আর অপরিচিত এক লোক সম্পূর্ন নগ্ন অবস্হায় খাঁটে শুয়ে যৌনকর্ম করছে। স্ত্রী চরম আনন্দে জোরে জোরে চিত্‍কার করছে। এটা দেখে লোকটির মাথা গরম হয়ে গেল। সে চেচিয়ে উঠলো “তোমরা কি করছ?”
অপরিচিত: গান শুনি
লোক:(দৌড়ে গিয়ে তার স্ত্রীর বুকে মাথা রেখে) ক্ই আমি তো শুনছি না?
অপরিচিত: আপনি তো হেডফোনের প্লাগ ই দেন নাই। শুনবেন কেমনে?


==========================================================

ম্যাডামঃ “transparent”(স্বচ্ছ) শব্দ টার একটা উদাহরণ দাও।

ছাত্রঃ ম্যাডাম্, এর উদাহরণ হচ্ছে , আপনার শাড়ির ভিতর দিয়ে “bra” দেখা যাচ্ছে। :P
ম্যাডাম রাগ হয়েঃ একটু তো লজ্জা শরম রাখো। :@ :@













ছাত্রঃ ম্যাডাম লজ্জা শরম আছে বলেই তো বলি নাই যে “bra” নিচের জিনিস টাও দেখা যাচ্ছে। :p :p :p

=========================================================

আবুল সাহেব ও তার স্ত্রীর sex এর secret code হলো ” পরোটা ভাজি”
প্রতিদিন সকালে খাবার টেবিলে আবুল সাহেব, তার স্ত্রী ও তাদের ৫ বছরের বাচ্চা একসাথে খেতে বসে।
আবুল সাহেব প্রতিদিন সকালে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে, ” কাল রাতে কয়টা পরোটা ভাজলাম?”
তার স্ত্রী কখনো উত্তর দেয় ৩টা, কখনো ৪টা, কখনো ৫টা,৬টা,৭টা ।

একদিন সকালে তার স্ত্রী বলল ৫টা।
কিন্তু আবুল সাহেব বলল ৪টা।
তারা কিছুতেই এই বিষয়ে এঁকে অপরের সাথে একমত না।
এই নিয়ে তাদের মধ্যে মহা তর্ক শুরু।

তাদের ১৭ বছরের একটা কাজের ছেলে ছিল। তখন ছেলেটি খাবার টেবিলে নাস্তা দিতে দিতে বলল,” কাল রাতে খালুরে দুধ দিতে আপনাদের রুমে ঢুকছিলাম,ঢুইকা দেখি তাওয়া ( fry-pan) গরম আছে,তাই আমিও একটা পরোটা ভাইজা ফেলসি।” :P :P :P

========================================================

এক ছোট বাচ্চা চিঠি লিখছে ঈশ্বরের কাছে এভাবেঃ
“হে ঈশ্বর আমার একটি বাইসাইকেলের অনেক শখ ।তাই বাইসাইকেল কেনার দশহাজার টাকা পাঠিয়ে দাও ।”
ব্যস এটুকু লিখে সে খামের উপর লিখলো ‘প্রাপক, ঈশ্বর’|
তারপর ডাকবাক্সে ফেলে এল।
এবার পিয়ন যখন এই চিঠি পেল তখন সে বেচারাতো পড়লো দারুণ বিপাকে ।কি করে,কি করে !! সে দেখালো তার কর্তাবাবুকে, তিনি আবার দেখালেন তার কর্তাবাবুকে এভাবে হাতে হাতে ঘুরতে ঘুরতে এক পর্যায়ে চিঠিটি গিয়ে পড়লো প্রধান মন্ত্রির হাতে ।
তিনি চিঠিটি পড়ে বললেনঃ তাকে হতাশ করা চলবে না ।ওর ঠিকানায় পাঁচশ টাকা পাঠিয়ে দাও ।
কিছুদিন পর সেই বাচ্চাটির আরেকটি চিঠি এসে পড়লো সেই পিয়নেরই হাতে ।এবার সে আর ভুল করলো না সোজা পাঠিয়ে দিলো প্রধানমন্ত্রির মারফত ।তো প্রধান মন্ত্রী চিঠিটি খুলে পড়ছেনঃ
হে ঈশ্বর,আমি জানি যে তুমি আমার চিঠি পেয়ে খুশি হয়ে তুমি ঠিকই আমার জন্য দশ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলে কিন্তু প্রধানমন্ত্রী জোচ্চুরি করে সাড়ে নয় হাজার টাকা মেরে দিয়ে আমায় শুধু পাঁচশ টাকা পাঠিয়েছে ।আমি এর বিচার চাই ।…….


========================================================

একদিন একলোক অফিস থেকে বাসায় এসে বেডরুমে ঢুকতেই দেখল বিছানায় তার স্ত্রীকেসম্পূর্ণ নগ্ন, কম্পমান ও ঘর্মাক্ত অবস্থায় আবিস্কার করলো!

ভীতসন্ত্রস্থ হয়ে সে স্ত্রীকে জিগ্গেস করলো, “তোমার কি হয়েছে?”
স্ত্রী কাপতে কাপতে বলল,”মনে হয় আমার হার্ট এটাক হয়েছে!”

তাড়াতাড়ি ডাক্তার ডাকতে রুম থেকে বের হবার সময় তার কত ছেলেটি ভয়ে ভয়ে
বলল,”বাবা, ও বাবা, রোকন চাচা না তোমার আলমারিতে ল্যাংটা হয়ে ঢুকা আছে!”
তখন লোকটি আলমারি খুলে দেখলআসলেই তো তাই|

বেশ রাগ হয়ে সে বলল,”আচ্ছা রোকন তোমার আক্কেলটা কি? আমার বউ হার্ট এটাকে মারা
যাচ্ছে আর তুমি কিনা ল্যাংটা হয়ে আমার বাচ্চা ছেলেটাকে ভয় দেখাচ্ছ?”

=============================================================

নার্স ডাক্তারকে বলছেঃ
নার্সঃ (চিন্তিত হয়ে) স্যার, যতবার নিচু হয়ে আমি পেসেন্টের পালস দেখতে যাচ্ছি ততবার উনার পালস বেড়ে যাচ্ছে। কি করি ?



… ▐












ডাক্তারঃ
“আপনার ব্লাউজের বোতামটা খোলা, ওইটা ভাল করে আটকে নিন পালস ঠিক হয়ে যাবে ! :P :P :P

====================================================

একটি ছোট ছেলে একটি চাকু নিয়ে তার হাতে তার গার্লফ্রেন্ডের নাম লিখল।
কয়েক মিনিট পর সে জোরে কাঁদতে লাগল
কেন? ব্যাথা করছে?

না !
তাহলে?

বানান ভুল হইসে !!!

=====================================================

স্ত্রী : জানো আজ একটা বাজে জিনিস হয়েছে৷
স্বামি : কী?
স্ত্রী : আজ গোছল করে কাপড় বদলানোর সময় ভুলে সদর দরজা খোলা ছিল৷
স্বামি : কী সর্বনাশ ৷ কোন সমস্যা হয়নিতো?
স্ত্রী : সমস্যা হয়নি মানে৷ আমি কেবল ব্রা পরছি এমন সময় তোমার বন্ধু ঘরে ঢোকে! কি লজ্জার ব্যাপার বলতো?
স্বামি : তখোন তুমি কি করলা? (রাগত ও আশ্চর্য গলায়)
স্ত্রী : আমি আর কি করব৷ লজ্জায় ব্রা দিয়ে মুখ ঢাকলাম..


======================================================

টিচারঃ "তুমি দেরিতে এসেছ কেন???"
ছাত্রঃ " স্যার, বাবা মা ঝগড়া করছিলো"
টিচারঃ "তার সাথে তোমার দেরিতে আসার সম্পর্ক কি??"
ছাত্রঃ "আমার এক জুতা বাবার হাতে, আরেক জুতা মার হাতে ছিল

======================================================

এক বিজ্ঞানী জঙ্গলে দীর্ঘদিন যাবত যৌন ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়া গবেষনায় মত্ত। অবশেষে তিনি একটা ইঞ্জেকশন আবিস্কার কইরা ফালাইলেন। এখন টেষ্ট করানোর জন্য কেউরে পাইতেছে না।
শেষমেষ নিজের পোষা বিড়ালের উপর সেইটা প্রয়োগ কইরা দিলেন। বিলাই যৌন উন্মাদনায় উত্তেজিত হইয়া যেইখানেই ফুটা পায় সেখানেই করা শুরু করে। বিজ্ঞানী সফল হইলে ও বিলাই লইয়া বিপদে পইড়া গেলেন। বিলাইয়ের সেক্স কিছুতেই কমে না। যখন যা পায় সেইটার লগেই সেক্স করবার যায়। শেষে বিজ্ঞানী বিলাইরে ধইরা ডীপ ফ্রীজে ঢুকাইয়া রাখল যাতে মইরা গেলে সকালে ফালাইয়া দিতে পারে।
সকালে বিজ্ঞানী ফ্রীজ খুইলা তাজ্জব হইয়া গেল, দেখল বিলাই খালি ঘামাইতেছে আর ঘাম মুছতেছে।
বিজ্ঞানী জিগাইল কিরে তুই মরস নাই ? বিলাই চিল্লাইয়া কইলঃ শালা, কাচা মুরগির লগে করা যে কি কষ্ট সেইটা তুই কি কইরা বুঝবি ? :P :P :P

===============================================

একদিন ঘর মুছতে গিয়ে কাজের মহিলা বেগম সাহেবার
খাটের নীচে ব্যবহৃত কনডম পড়ে থাকতে দেখলো।

সে বেগম সাহেবা কে এটা কী তা জানতে চাইল।

বেগম : কেন? তোর জামাই কখনো তোর সাথে ওইসব
করে না?

… কাজের মহিলা : করে। কিন্তু তার ওইটার
চামড়া তো কহনো খুইল্লা পড়ে না। :P :P :P

======================================================

পাপ্পুদের পাশের ফ্লাটে নতুন ভাড়াটিয়া এসেছে।

ভাড়াটিয়ার আবার সুন্দরী একটা মেয়েও আছে।
একদিন সেই মেয়ে টি-শার্ট পরে বের হলো। পাপ্পু দেখলো মেয়েটার টি-শার্টে চমৎকার একটি গাড়ীর ছবি আঁকানো। সেদিকে একদৃষ্টিতে পাপ্পুকে তাকিয়ে থাকতে দেখে মেয়েটি জিজ্ঞেস করল-

“কি ভাই, টি-শার্টে গাড়ী আগে কখনো দেখেন নি?”

পাপ্পু তোতলাতে তোতলাতে…জি, গাড়ী তো দেখেছি কিন্তু এতো বড় বড় হেডলাইট তো আগে দেখি নাই!!”

=======================================================

একটা প্রশ্ন- একটা মেয়ে যখন ৩/৪ টা ছেলের সাথে বিছানায় শোয় তখন সবাই তাকে পতিতা বলে, কিন্তু একটা ছেলে যখন ৭/৮ টা মেয়ের সাথে শোয় তখন সবাই তাকে আসল পুরুষ বলে, কিন্তু কেনো?





উত্তর - ব্যাপারটা আসলে এরকম্, যখন একটা তালা ৩/৪ টা চাবি দিয়ে খুলে তখন সেটা খারাপ তালা আর যখন একটা চাবি দিয়ে ৭/৮ টা তালা খুলে তখন সেটা মাস্টার কী (Master Key) ।

======================================================

এক লোক জেলখানা থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরছে|
এমতাবস্তায় রাস্তায় প্রসাব পেলে রাস্তার পাশে দাড়িরে প্রসাব করে উঠে পরেন ।
তখন এক মৌলবি ধরনের লোক দেখলেন লোকটিপ্রসাব এর পর পানি ব্যবহার করেননি, তখন লোকটিকে বললেন
হুজুর: আপনার কাজটা ভাল হয়নি.
লোকটি: কেন?
হুজুর: আপনি তো প্রসাব করে পানি ব্যবহার করেননি!
… লোকটি: (রাগের ভঙ্গিতে) কি বললেন আপনি যার জন্য ৩ বছর জেল খাটলাম তার মাথায় পানি ঢালব আমি???

=======================================================

একজন মেয়ে আসল কাপড় ক্রয় করতে ।
মেয়ে: ভাই এই জামাটার দাম কত?
দোকানদার: চালাকি করে বললেন ৫ টা kiss ।
ময়ে: ঐ জামাটার দাম কত?
দোকানদার: ১০ টা kiss.
মেয়ে: ২টাই প্যাকেট করে দিন ।আমাদের কজের বুয়া বিল দিয়ে যাবে ।

=========================================================

Jokes.... 18+

তিন টিনএজ বান্ধবী এক সাথে এক ফ্ল্যাটে থাকে। একি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। পরের শনিবার থেকে তাদের পরবর্তী সেমিস্টার শুরু হবে। তাই শুক্রবার দিন তিন বান্ধবী একসাথে ডেটিং এ বেড় হলো। সারাদিন ডেটিং করার পর কাকতালীয় ভাবে সন্ধ্যায় এক সাথে তিনজন বাসায় ফিরলো।

প্রথম এক বান্ধবী উৎফুল্ল ভাবে অপর দুইজনকে বলল- “রোমাঞ্চকর ডেটিং হচ্ছে বাসায় ফিরে যখন দেখবে তোমার পরিপাটি চুল এবড়ানো থেবড়ানো, নিজেকে আয়নায় দেখলে পাগলীনি মনে হবে সেটা।”

দ্বিতীয় বান্ধবী প্রথম বান্ধবীর উপর লাফ দিয়ে পরে বলল- “হলো না, সব চেয়ে রোমাঞ্চকর ডেটিং হচ্ছে বাসায় ফিরে যখন দেখবে তোমার সুন্দর ম্যাকাপ নিঃশেষ হয় গেছে, তোমার ঠোঁটে লিপস্টিকের লেশ মাত্র নেই।”

তৃতীয় বান্ধবী চুপ করে বসে বসে তাদের কথা শুনছিলো। কোন কথা বলছিলো না। অনেকক্ষণ চুপ করে থাকার পর নিজের অন্তবাস খুলে দেয়ালের দিকে ছুরে মেরে বলল – “সব চেয়ে রোমাঞ্চকর ডেটিং একেই বলে।”



দুই কুত্তা গ্রামে খাবার কমে যাওয়া শহরে আসছে। এসে একটা গেছে উত্তরে একটা দক্ষিণে। একমাস পর দুইটার দেখা। উত্তরেরটা অনেক মোটাতাজা হয়ে গেছে কিন্তু দক্ষিণেরটা আরও শুকায়ে গেছে। তো উত্তরেরটা দক্ষিণেরটারে কইছে, তুমি উত্তরে চলে আস, উত্তরে অনেক খাবার, তুমি অনেক মোটা হয়ে যাবে।

: না
: কেন?
: আমি অপেক্ষায় আছি।
: কিসের অপেক্ষা?
: আছে বলা যাবে না।

একমাস পর আবার তাদের দেখা। এইবার দক্ষিনেরটা আরও শুকায়ে গেছে। কিন্তু তারপরও সে উত্তরে যাবে না। শুধু বলে সে অপেক্ষায় আছে।

আরও একমাস পর তাদের আবারও দেখা। দক্ষিণেরটার অবস্থা এইবার মরমর। তো উত্তরের জন কইছে হয় এইবার তুমি আমার সাথে আসবা না হয় কইবা তুমি কিসের অপেক্ষায় আছো।
: তাইলে শুনো। ঐ যে সাদা বাড়িটা দেখ। ঐখানে একটা নতুন বৌ আসছে। সে রান্না খুব একটা পারে না। একদিন তরকারিতে লবন বেশী দিয়া ফেলছিল। তখন জামাইডা কইছে আর একদিন যদি তরকারিতে লবন বেশী হয় তরে আমি কুত্তা দিয়া চাটামু। আমি অপেক্ষায় আছি আবার কবে তরকারিতে লবন বেশী হবে।

উপরের দুইটা নেট থেকে নিয়েছি

আর ৩ নাম্বারটা দোস্তদের মুখথেকে শুনেছি


মিয়া বিবি ঘর করতেছে কয়েক দিন নতুন বিয়া হইছে
বিবি মিয়া কে বলতেছে আমার ইলিশ মাছ খাইতে ইচ্ছা করতেছে বাজার থেকে ইলিশ নিয়া আসবে
মিয়া বাজার থেকে ইয়া বড় ইলিশ নিয়া বাড়ীর দিকে আসতেছে পথে শশুড়বাড়ীর সামনে শাশুড়ীর সাথে দেখা
শাশুড়ী> জামাই কি নিয়া যাইতেছেন
মিয়া > ইলিশ মাছ আপনার মাইয়ার লাইগা
শাশুড়ী> তয় আমার একটা প্রশ্নের উত্তর দিয়া যান সঠিক জবাব দিতে পারলে মাছ নিয়া যাইবেন ভুল উত্তরে আপনি মাছ পাইবেন না
মিয়া > ঠিক আছে, জিগান কি প্রশ্ন?
শাশুড়ী> মেয়েদের ুদা সামনে না পিছনে?
মিয়া > সামনে
শাশুড়ী> হয় নাই বলে পাছার কাপড় খুলিয়া পাছা দেখাইয়া কইলো মেয়েদের ুদা পিছনে
মিয়া সঠিক জবাব দিতে না পারিয়া মাছ ছাড়াই বাড়ীতে চলিয়া গেল । বিবিরে কইলো তোমার মায়ের প্রশ্নের জবাব দিতে পারি নাই তাই তোমার মায়ে মাছ রাইখা দিছে

পরদিন আবার বাজার থেকে মাছ কিনিয়া আসতেছে আবার পথে শাশুড়ী পাইছে লাগাল

শাশুড়ী> আইজ কা কি মাছ?
মিয়া > গত কাইলের মতই
শাশুড়ী> গত কাইলের প্রশ্নের জবাব দিয়া যাও,
মিয়া > মনে মনে চিন্তা করলো যে গত কাইল সামনে কইছিলাম দেখাইছে পিছনে তা হলে পিছনেই হবে ুদা , তাই সে কইলো ুদা পিছনে

শাশুড়ী সামনের কাপড় উঠাইয়া কইলো ুদা সামনে
মিয়া> তাজ্জব হইয়া গেল এবং মাছ ছাড়াই বাড়ীতে গেল



বিবি> মাছ কোথায়?
মিয়া> তোমার মায়ের ুদা গত কাইল ছিল পিছনে আইজ কা আইছে সামনে ,খালি সামনে পিছনে যায়
যে দিন সঠিক জায়গায় আইবো সে দিনই মাছ খাইতে পারবা


মানে চতুরের সাথে কখনো পেরে উঠা যায় না